সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া চক্ষু হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক রেল লাইনের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছিলেন। কিন্তু তিনি কি জানতেন, তার সেলফিতে একজন ব্যক্তির মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তের ছবি ধারণ হবে? মূলত শখের বসেই চলন্ত ট্রেনের সঙ্গে ছবিটি তুলছিলেন।

ট্রেনটি চলে যাওয়ার পর লোকজনের চিৎকার চেঁচামেচিতে বুঝতে পারেন কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরে এগিয়ে গিয়ে দেখেন একজন ব্যক্তির ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে। যে কিনা মৃত্যুর আগেও তার সঙ্গে এক ফ্রেমে বন্দি হয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গেই তার হাসিমুখ দুঃখে ভরে যায়।

পরে পরিচিতজনদের মাধ্যমে জানতে পারেন, ওই বৃদ্ধ পঞ্চক্রোশী গ্রামের তবলিগ জামাতের জিম্মাদার আবদুল মোতালেব। রিকশা রেখে রেললাইন পার হওয়ার সময় তার পা মচকে যায়। আর পার হতে পারেননি। ট্রেন চলে তাকে ধাক্কা দিয়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

প্রায় সময় কোনো না কোনভাবে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হচ্ছেই। আর সেই দুর্ঘটনার মুহূর্ত যদি ক্যামেরাবন্দি হয়ে যায় শোকটা যেন বুকের মধ্যে চেপে ধরে। যেমনটা হয়েছে ওই অ্যাম্বুলেন্স চালকের। মনে মনে তিনি হয়তো ভাবছেন, সেলফিটা না তুললে বৃদ্ধাকে বাঁচাতে পারতেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here