ঈদ সামনে রেখে তারা ছড়িয়ে পড়েন দেশের বিভিন্ন জেলা শহরের বিপনী বিতানে। কখনও একসঙ্গে আবার কখনও দু-তিন দলে ভাগ হয়ে দোকানে দোকানে ঘুরে বেড়ান তারা। তারপরই শুরু হয় তাদের হাতের কাজ।

বোরকা পরা ১০ নারীর অস্বাভাবিক চলাফেরার বিষয়টি প্রথমে পাবনা সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামানেরনজরে আসে। তিনি সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সাহিদ ও কনস্টেবল ইমরানকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। তারা দীর্ঘ ২৭ ঘণ্টা পাবনার বিভিন্ন শপিংমল ঘুরে অবশেষে উদঘাটন করেন নারী চক্রের কর্মকাণ্ড।

পুলিশ জানায়, এই দলের সদস্যরা দোকানে ঢুকে দুয়েব জন কেনার ছলে একের পর এক কাপড়, থ্রিপিচ ইত্যাদি দেখতে থাকে। দোকানি যখন অন্যকাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, সেই ফাঁকে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকজনের কাছে কাপড় দিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে সে কাপড় গায়েব হয়ে যায়। এভাবেই চলে একের পর এক দোকানে চুরি। আবার কখনও ক্রেতাকে কৌশলে ঘিরে ধরেন চার-পাঁচ জন। এর মধ্যে ওই ক্রেতার ব্যাগের টাকা, মোবাইল ফোনও হাতিয়ে নেয়।

অবশেষে অপকর্ম করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এই চক্রের সদস্য নুরজাহান (২৫), সুলেমা (২২), নাসিমা আক্তার (১৯), তহুরা বেগম (২২), পারুল (২০), পুতুল (৪২) ও আসমা (৩২)। তাদের সবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার দরমণ্ডল এলাকায়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here