সময়সূচির কারণে খেলা চলাকালীন রোজা রাখাটা বেশ মুশকিল। তারপরও অনেক খেলোয়াড় রোজা অবস্থায় খেলেন। তবে খেলা চলাকালীন সময়ে ইফতারের সময় হয়ে গেলে বিপাকেই পড়তে হয় ক্রিকেটের তুলনায় ফুটবল খেলোয়াড়দের। এমনসব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ইফতারের জন্য যথারীতি একটা পথ বের করে নিলো তিউনিশিয়া ফুটবল দল।

২৯ মে এবং ২ জুন পর্তুগাল এবং তুরস্কের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে রোজা রেখে খেলতে নামে তিউনিশিয়া। দুই ম্যাচেই ২-২ গোলে ড্র করে তারা।

তারমধ্যে পর্তুগাল ও তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে তিউনিশিয়ার খেলোয়াড়দের ইফতার করার পদ্ধতি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে।

দু’টি ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই সময় হয়ে যায় ইফতারের। ঠিক তখনই ইনজুরিতে পড়ার অভিনয় করেন তিউনিশিয়ার গোলরক্ষক ময়েজ হাসান।

এমতাবস্থায় রেফারি খেলা থামানোর জন্য বাঁশি বাজান। আর এই সুযোগে পানি খেয়ে রোজা ভাঙেন তিউনিশিয়ার খেলোয়াড়রা। সারাদিনের রোজা থাকার ক্লান্তি দূর করতে কয়েকটি খেজুরও খেয়ে নেন তারা।

ইনজুরির ভান ধরার জন্য ময়েজ হাসান কোনো জরিমানা সম্মুখীন হবেন কিনা সেটা জানা যায়নি। ডেইলি মেইলের দাবী, আইনের মধ্যে থেকেই তিউনিশিয়া ইফতারের এ পথ বের করেছে।

আগামী ১০ জুন স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তিউনিশিয়া। সেই ম্যাচেও হয়তো এভাবেই ইফতার করবেন আফ্রিকা মহাদেশের দেশটির খেলোয়াড়রা।

২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে এসে ‘জি’ গ্রুপে রয়েছে তিউনিশিয়া। গ্রুপে তাদের অন্য প্রতিপক্ষরা হলো- বেলজিয়াম, পানামা এবং ইংল্যান্ড। ১৯ জুন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ মিশন। ২৩ জুন বেলজিয়াম এবং ২৯ জুন পানামার বিপক্ষে হবে তিউনিশিয়ার অন্য দু’টি ম্যাচ।

আফ্রিকা অঞ্চলের দেশ তিউনিশিয়ার জনগণের প্রায় ৯৮ শতাংশই মুসলিম। আর দেশটির বেশিরভাগ মানুষই ধর্মপ্রাণ। তাইতো রজমান মাসে খেলা চললেও রোজা রাখা থেকে বিরত থাকেননি দেশটির ফুটবলাররা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here