প্রেমিক-প্রেমিকার নোংরামি ঠেকাতে হাতিরঝিলে কাঁটাতারের বেড়া!

0
292
হাতিরঝিলে নোংরামি
হাতিরঝিলে নোংরামি

২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি হাতিরঝিল প্রকল্প জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর ফলে ঢাকার তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরা, মৌচাক ও মগবাজারের এলাকার বাসিন্দাসহ এ পথ দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীরা বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন। হাতিরঝিল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও তদারকি করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘স্পেশাল ওয়ার্কস অরগানাইজেশন’ (এসডব্লিউও)।

প্রকল্পের অন্যতম মূল লক্ষ্য বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা ও বন্যা প্রতিরোধ, ময়লা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সুন্দর্য্য বৃদ্ধি। নির্মল পরিবেশে একটু প্রশান্তির পরশ পেতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাতিরঝিলে ভিড় জমান মানুষ। তবে সন্ধ্যার পর প্রেমিক যুগলদের আনাগোনাই বেশি। অনেক সময় তাদের আপত্তিকর অবস্থা দেখে লোকজন অন্যদিকে চোখ ঘুরিয়ে যাতায়াত করেন।

তবে বিষয়টি এড়াতে হাতিরঝিলে ‘কাঁটাতারের বেড়া’ দেওয়া হচ্ছে। ব্রিজের ওপর সন্ধ্যার আগে ও পরে প্রেমিক জুটির দাঁড়ানো ঠেকাতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর সাদিক শাহরিয়ার।

তিনি বলেন, ‘অবৈধভাবে বাইক পার্কিং করে আপত্তিকর অবস্থায় তারা দাঁড়িয়ে থাকে। এক্সপ্রেসওয়ের ওপর এরকম দাঁড়ানো বা পার্কিং সম্পূর্ণ নিষেধ। বারবার তাদের কাছে গিয়ে বলেও কাজ হয়নি। এ কারণে কাঁটাতার দিয়ে দেওয়া হলো।’

বর্তমানে হাতিরঝিলের আড়ং শো-রুম সাইডে যে ব্রিজ তার ওপরই কাঁটাতার বসানো হয়েছে। ফলে আগের মতো আর কেউ ঠেস লাগিয়ে বা হেলান দিয়ে দাঁড়াতে পারছে না। তারপরও কেউ দাঁড়াতে চাইলে নিরপত্তাকর্মীরা সরিয়ে দিচ্ছেন।

পদ্ধতিটিতে কাজ হলে হাতিরঝিলের সবগুলো ব্রিজের দুপাশেই কাঁটাতার জড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানান মেজর শাহরিয়ার। তিনি বলেন, ‘একটা ব্রিজে পরীক্ষামূলকভাবে দেওয়া হলো। আমরা দেখছি ফলো রাখছি। এটা সফল হলেই অন্যগুলোতে দেওয়া হবে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here