প্রবাদ আছে, ‘মানুষ ভাবে এক, হয় আর এক।’ আফগান সিরিজের আগে কেউ কল্পনাও করেনি সিরিজ হারবে বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের চিন্তাও ছিল রীতিমতো অমূলক। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এখন টাইগারদের সামনে চোখ রাঙাচ্ছে ধবলধোলাইয়ের লজ্জা।

দেরাদুনে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ইতোমধ্যে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আফগানিস্তান। সিরিজ তাদের নিশ্চিত। তিন নম্বরটাও জিতলে স্কোর হবে ৩-০। হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য মান বাঁচানোর উপলক্ষ্য। যে করেই হোক ম্যাচটি জিততে মরিয়া থাকবে সাকিব শিবির। কিন্তু পারবে তো টাইগার শিবির?

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল লেজেগোবড়ে। না ব্যাটিং, না বোলিং; কোন ভার্সনেই জ্বলে উঠতে দেখা যায়নি টাইগারদের। টস জিতে সাকিব আগে ফিল্ডিং নিলেও সুবিধা করতে পারেনি। শেষের দিকে ঝড়ে ৮ উইকেটে ১৬৭ রান তোলে আফগানরা। জবাবে পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৯ ওভারে ১২২ রানে অল আউট। ৪৫ রানের দারুণ জয় আফগানরে। টি-টোয়েন্টিতে যা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম জয় ছিল তাদের।

দ্বিতীয় ম্যাচটিতে স্কোয়াডে আসে পরিবর্তন। আবুল হাসান ও আবু জায়েদ রাহির পরিবর্তে আসেন সৌম্য সরকার ও আবু হায়দার রনি। রনি বল হাতে দুরন্ত, তবে সৌম্য নেতিয়ে পড়েন রশিদের সামনে। তারপরও দ্বিতীয় ম্যাচটি তুলনামুলক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাজ পাওয়া গিয়েছিল। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩৪ রান। যদিও স্কোরটা হতে পারত ১৬০ এর উপরে। কিন্তু মাঝের সময়টাতে রশিদ ঘূর্ণিতে এলোমেলো বাংলাদেশ শিবির। যাতে ছেদ পড়ে বড় স্কোরেও।

তারপরও লো স্কোরিং ম্যাচেও বাংলাদেশের বোলাররা জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। তিন ওভারে ৫ রান দিয়ে স্পিনার নাজমুল হোসেন অপু দেখালেন চমক। পেসার রনি, রুবেলও ভালো করলেন। পার্ট টাইম বোলার মোসাদ্দেকও গড়পড়তায় কম রান দিলেন। কিন্তু স্কোরটা এতই কম হয়ে গিয়েছিল যে, ধীরে সুস্থে খেলেও জয় পায় আফগান শিবির।

শেষটায় মোহাম্মদ নবী ছোটখাট ঝড় বইয়ে দেন রুবেলের করা ১৯তম ওভারে। হাঁকান দুই চার ও দুই ছক্কা। ম্যাচ তখনই শেষ।

বৃহস্পতিবার দেরাদুনে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। কী হবে শেষ পর্যন্ত?

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here