নাটোরের বড়াইগ্রামে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করে চাকরি হারিয়েছেন এক শিক্ষক। গত রবিবার শিক্ষক সাইফুল ইসলাম (২৭) কালিমা পড়ে ছাত্রী রিয়াকে (১৪) বিয়ে করেন।

উভয়পক্ষের আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে স্থানীয় কাজী মো. আলাউদ্দিন প্রামাণিক এ বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। বুধবার (৬ জুন) আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে বলে জানা গেছে।

সাইফুল ইসলাম উপজেলার দারিকুশি গ্রামের রহিম ভূঁইয়ার ছেলে এবং জোনাইল এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করতেন। অপরদিকে রিয়া চর গোবিন্দপুর গ্রামের নুরুল হোসেন নুরুর মেয়ে।

জানা যায়, ক্লাস নিতে গিয়ে রিয়ার দিকে সাইফুলের নজর পড়ে। প্রথমে প্রেমের প্রস্তাবে কাজ না হলে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ছেলে হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার্স পাস ও স্কুলশিক্ষক। তাই তার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে পারেননি। অবশেষে মেয়ের অমতেই জোর করে বিয়ে দেয়া হয় সাইফুল ইসলামের সাথে।

সাইফুল ইসলাম জানান, ‘পছন্দ হয়েছে তাই কলেমা পড়িয়ে রেখেছি। মেয়ের বয়স ১৮ হলে তুলে আনবো।’

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আশিকুর জামান বলেন, ‘বুঝতেই পারি নাই এমন ঘটনা ঘটবে। এ ঘটনার পর স্কুলের সিনিয়র শিক্ষকদের ডেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সাইফুল ইসলামকে আর স্কুলে আসতে দেয়া হবে না।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘ওই শিক্ষক দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গ করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here