তারা ঘুরে বেড়ায় সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে। বেশভূষায় সাধারণের ভাব, চলনে-বলনে সরলতার ফাঁদ। আগে থেকেই তাদের সেই সিএনজি অটোরিকশায় থাকে দু-তিনজন। বেছে বেছে সেখানে তোলা হয় নারী যাত্রীদের। এরপর কথার ছলে ভাব জমিয়ে সোনার বার বিক্রির লোভ দেখানো হয়।

এরপর নকল বার দিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে চম্পট দেয় প্রতারকরা। দীর্ঘদিন ধরে এমনটাই করে আসছিল চক্রটি। অবশেষে নকল সোনাসহ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানা পুলিশ।

চক্রটি সিরিশ কাগজ দিয়ে পিতল ঘঁষে সোনার বারের মত করে ফেলতে পারে। আর হাজারী গলির সোনার দোকানগুলো থেকে ২১ ও ২২ ক্যারেট লেখা সিল ১০০ টাকা দিয়ে কিনে এনে ওই নকল বারে মেরে দেয়। এরপর তারা অটোরিকশাচালক বেশে ওই নকল সোনার বার যাত্রীদের কাছে বিক্রি করে। এতে টাকা-পয়সা খুইয়ে নিঃস্ব হতে হচ্ছে সহজ-সরল যাত্রীদের।

চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারকৃতরা হলো পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার সুবিদ আলী গুলদার বাড়ির নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ টিটু (৩০), কিশোরগঞ্জের নিকলী থানার মজলিজপুর এলাকার মো. রাশেদের ছেলে মোহাম্মদ দেওয়ান (২০) ও বরগুনার বেতাগী থানার কালিকা বাড়ির হোসেন মুন্সীর ছেলে আফজাল হোসেন (৩৮)।

এ বিষয়ে সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন জানান, মোগলটুলী জাহাঙ্গীর মার্কেটের সামনে রাস্তায় নকল সোনার বারকে আসল বলে বিক্রির খবরা পায় পুলিশ। পরে পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে টিটু ও দেওয়ানকে ধরে ফেলে। এ দুজনের কাছ থেকে একটি নকল সোনার বার, একটি সোনার আংটি, এক জোড়া সোনার কানের দুল, একটি সোনার নাকফুল জব্দ করা হয়েছে।

এরপর ওই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পাহাড়তলীর উত্তর কাট্টলী এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে আফজালকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে একটি বড় সোনার বার, দুটি ছোট নকল সোনার বার, এক জোড়া সোনার কানের দুল ও শ্রী জুয়েলার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আটটি মেমো উদ্ধার করা হয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here