এ যেন ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরে নেইমারের সেই চীর চেনা ঘর। যেখানে ছোটবেলার দিনগুলোতে হই-হুল্লোর আর ফুটবল নিয়ে কাটিয়েছিলেন তিনি। সেই একই রকম সেই ছোট্ট ছিমছাম একটা ঘর। এক পাশে কতগুলো ফুটবল। শোকেসে রাখা ছোট বেলায় অর্জিত ট্রফিগুলো। কাপবোর্ডে রাখা সেই ছোট্টবেলার শর্টস। এক কোণে জায়গা করে নিয়েছে ছোটবেলার গান শোনার জন্য ব্যবহৃত পুরানো টেপরেকর্ডার ও পছন্দের শিল্পীতের ক্যাসেট।

এমন স্মৃতিময় ঘরে ঢুকে কে না আবেগপ্রবণ হয়ে উঠবেন। ঠিক তাই হয়েছে বিশ্বকাপের ষষ্ঠ শিরোপা জিততে ব্রাজিলের স্বপ্নদ্রষ্টা নেইমারের ক্ষেত্রেও। স্মৃতিময় সেই ঘরে ঢুকে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি। অঝোরে কেঁদেছেন এই তারকা ফুটবলার।

দরজা খুলেই অবাক নেইমার

জানা গেছে, মূলত একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা হয় নেইমারের প্রথম বাড়ির রেপ্লিকাটি। অনুষ্ঠানের প্রযোজকরা নেইমারকে না জানিয়েই তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে শৈশবের বাড়ির বিবরণ শুনে এসেছিলেন। পরবর্তী সময়ে নিখুঁতভাবেই সাজিয়ে তোলা হয়েছিল ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলারের প্রথম বেডরুমটি।

আগে থেকেই নেইমারের মা ও বোনকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছিল চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে প্রস্তুত ছিল ক্যামেরাও। দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকেই অবাক হয়ে যান নেইমার। কিছুক্ষণ যেতেই বুঝে ফেলেন, এটা তারই ছোট্টবেলার সেই ঘর। একসময় মাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

স্মৃতিময় সেই ঘর দেখে আবেগপ্রবণ নেইমার

নেইমার যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না এটি আসলে ঘরের রিপ্লিকা। ধীরে ধীরে শান্ত হন তিনি। পুরো ঘরটি সময় নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকেন। আর শৈশবের স্মৃতি হাতরে বেড়াতে থাকেন। এমন মুহূর্ত তৈরি করার জন্য অনুষ্ঠানের উপস্থাপক লুসিয়ানো হাক ও পুরো টেলিভিশন টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

মূলত ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে স্বল্পদৈঘ্যের ছবি বানাতে গিয়েই এমন আয়োজন করে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানটি তৈরি করা হয় চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলে, যখন নেইমার পায়ের পাতার অপারেশনের পর পুনর্বাসন পক্রিয়ার মধ্যে ছিলেন। ইতোমধ্যে শনিবার ব্রাজিলের টিভি চ্যানেলে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিটি প্রচারিত হয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here