বছর চৌদ্দের কিশোরী সুমাইয়া খাতুন। সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার রতনকান্দী ইউনিয়নের কুড়ালিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে। স্থানীয় কুড়াইলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সে। মনপ্রাণ সবই সপেছে একই উপজেলার তরুণ কাউসারের কাছে। কিন্তু হঠাৎ কি জানি হয়ে গেলো, কিছুতেই প্রেমিক তাকে মেনে নিতে চাইছে না।

উপায় না দেখে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তিনদিন ধরে অনশন করছে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া খাতুন। সে প্রেমিককে পেয়েই বলে, ‘হোটেলে যখন নিছিলি তখনতো ভাল লেগেছে তাইনা? এখন তুই যদি আমারে বিয়ে না করিস আমি মরব।’ এদিকে সুযোগ বুঝেই পালিয়েছে ব্রুগাছা ইউনিয়নের রান্ডিলা বাহাদুর গ্রামের আবুসামার ছেলে কাউসার।

জানা গেছে, এক বছর আগে সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অর্নাস দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র কাউসারের প্রেম হয়। এরই মাঝে বিভিন্ন সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীটিকে হোটেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে সে। কিন্তু এখন আর বিয়ের করতে রাজি নয় কাউসার। তাই শুক্রবার বিকেলে ওই কিশোরী ঈদের কেনাকাটার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করে। একটাই দাবি, তাকে বিয়ে করতে হবে।

এলাকাবাসী বলেন, ছেলের পরিবার অত্যন্ত প্রভাশালী হওয়ায় গ্রামের মুরুব্বীদের ম্যানেজ করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এটি হলে মেয়েটির সঙ্গে অন্যায় করা হবে।

প্রেমিকা সুমাইয়া খাতুন বলে, ‘বিয়ের কথা বলে কাউসার আমাকে প্রায়ই হোটেলে নিয়ে যেত। তখন এসব মনে ছিল না? সে আমাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। আমি মরব।’

ব্রুগাছা ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার লিটন বলেন, ‘স্থানীয় মেম্বার, মুরুব্বীসহ উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে আইন আদালতের স্মরণাপন্ন হব।’ তবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলে চাইলে কাউসারের বাবা আবুসামার রাজি হননি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here