ঈদের কেনাকাটার কথা বলে ছাত্রীকে নিয়ে রাতভর ফূর্তি করেছে কথিত বয়ফ্রেন্ড। এসময় তার বন্ধুরা মিলে ওই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত বয়ফ্রেন্ড বাদশা মিয়াকে র‌্যাব-১৪ এর সদস্যরা আটক করেছে।

আটক বাদশা পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দি ইউনিয়নের শালংকা গ্রামের বাসিন্দা। পরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তার সহযোগী একই গ্রামের এরশাদ ও রুস্তুমকে আটক করা হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকে মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. রমজান মাহমুদ।

র‌্যাব সূত্র জানায়, ওই ছাত্রীর সঙ্গে বাদশা মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সোমবার সন্ধ্যায় ফোনে ঈদের কেনাকাটা করার কথা বলে ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে সদর উপজেলার বিন্নাটি মোড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বাদশাসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা কৌশলে পাকুন্দিয়ার নারান্দি ইউনিয়নের ছোট আজলদি গ্রামের ঈদগাহের পাশে ওই ছাত্রীকে কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে রাতভর ধর্ষণের পর ভোরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে ওই ছাত্রী পুলেরঘাট বাজারে যায়। সেখানে বাজারের এক পাহারাদার তাকে উদ্ধার করে সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

র‌্যাব-১৪ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক এম শোভন খান বলেন, অভিযোগ পেয়ে র‌্যাব বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মূল হোতা বাদশাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি আজহারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে বাদশাসহ পাঁচজনকে আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন মন আইনে একটি মামলা করেছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here