বৃহস্পতিবার রাতে মাঠে গড়াবে ‘দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত ফুটবল বিশ্বকাপ। তার আগে চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক সর্বশেষ আসর পর্যন্ত গড়া কিছু রেকর্ড।

সর্বোচ্চ বিশ্বকাপজয়ী দল
ল্যাটিনের দেশ ব্রাজিল সর্বোচ্চ পাঁচবার বিশ্বকাপ ট্রফিতে চুমো খেয়েছে। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে পেলের দেশ এ ট্রফি নিজেদের শো-কেসে তুলে নেয়। এরপরই আছে ইতালি ও জার্মানির নাম। দল দুটি চারবার করে বিশ্বকাপের মঞ্চ কাঁপিয়েছে। যদিও এবারের আসরে নামই লেখাতে পারেনি ইতালি।

বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল
একটি আসরে সর্বোচ্চ গোল করেছেন ফ্রান্সের জাঁ ফন্টেইন। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে, সর্বসাকল্যে ১৩ বার নিশানাভেদ করেন তিনি। একাধিক বিশ্বকাপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ গোল জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার। ২৪টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন এ সেন্টার ফরোয়ার্ড। ১৬টি গোল করে তিনিই তালিকার শীর্ষে। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের অন্যতম কিংবদন্তি রোনাল্ডো বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন ১৯টি। ১৫টি গোল রয়েছে তার অর্জনের খাতায়।

সবচেয়ে তরুণ খেলোয়াড়
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে কনিষ্ঠ খেলোয়াড় উত্তর আয়ারল্যান্ডের নর্মান হোয়াইটসাইড। ১৯৮২ সালের আসরে খেলেন তিনি। তার বয়স ছিল তখন ১৭ বছর ১ মাস ১০ দিন৷

বিশ্বকাপে প্রবীণতম খেলোয়াড়
ইতিহাসে সবচেয়ে প্রবীণ খেলোয়াড় ক্যামেরুনের রজার মিলা। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে খেলেন তিনি। তখন তার বয়স ছিল ৪২ বছর ১ মাস ৮ দিন।

সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলার
ফুটবল ইতিহাসে ৫টি বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি আছে মাত্র দুজনের- মেক্সিকোর আন্তোনিও কারবাহালের এবং জার্মানির লোথার ম্যাথিউসের। এবার মাঠে নামলে সেই বিরল তালিকায় নাম লেখাবেন ৩৯ বছর বয়সী মেক্সিকান মিডফিল্ডার রাফায়েল মার্কেজ।

দ্রুততম গোল
তুরস্কের হাকান সুকুরের। ২০০২ বিশ্বকাপে এ কীর্তি গড়েন তিনি। খেলার মাত্র ১০.৮ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে এ ইতিহাস রচনা করেন তিনি। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এ রেকর্ডের দেখা পান সুকুর।

সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলা দল
এই রেকর্ডের সবার উপরে নাম আছে ব্রাজিলের। সেলেকাওরাই একমাত্র দল যারা ১৯৩০ থেকে অদ্যাবধি কোনো বিশ্বকাপেই অনুপস্থিত থাকেনি। ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে।

সর্বোচ্চ ফাইনাল খেলা দল
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ফাইনাল খেলা দল যৌথভাবে ব্রাজিল ও জার্মানি। দুদলই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ৭ বার করে লড়েছে।

সবচেয়ে বেশি টানা শিরোপা
টানা দুবার শিরোপা জয়ের কীর্তি আছে ইতালি ও ব্রাজিলের। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ফুটবলের বৈশ্বিক আসরের শিরোপা ঘরে তোলে আজ্জুরিরা। আর ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি ছিনিয়ে নেয় সাম্বার দেশ।

সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে কনিষ্ঠ গোলদাতা ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলে। ১৭ বছর ২৩৯ দিনে বিশ্বকাপে গোলের খাতা খোলেন ফুটবলের রাজা।

সর্বোচ্চ বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড়
এ রেকর্ডটির মালিক একমাত্র পেলে। সর্বোচ্চ তিনবার শিরোপা ছুঁয়ে দেখার রেকর্ড আছে তার। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে এ নজির স্থাপন করেন তিনি।

সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচ
এ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন অটো রেহেগাল। ২০১০ বিশ্বকাপে গ্রিসের ডাগআউটে বসে তা দেখান তিনি। ওই সময় তার বয়স ছিল ৭১ বছর ৩১৭ দিন।

এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল
এ কীর্তি আছে ওলেগ সালেঙ্কোর। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে রাশিয়া-ক্যামেরুন ম্যাচে তিনি একই ঠিকানায় বল পাঠান ৫ বার।

*পরিশেষে জেনে আশ্চর্য হবেন, বিদেশি কোচ নিয়ে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি কোনো দল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here