প্রথমার্ধ থেকেই নিজেদের শ্রেষ্ঠ খেলায়াড় মোহাম্মদ সালাহকে ছাড়া ভালোই উরুগুয়ের ঢিলেঢালা আক্রমণ সামাল দিচ্ছেলেন মিশরের খেলোয়াড়রা। কিন্তু খেলার ৯০ মিনিটে ডিফেন্ডার হোসে গিমেনেসের হেডে ভেঙ্গে গেল মিশরীয় রক্ষণাভাগের দেওয়াল।

আর এতেই রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে মিশরকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের মিশন শুরু করলো দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে।

চোটের কারণে এদিন মিশরের সবচেয়ে বড় তারকা মোহাম্মদ সালাহ ছিলেন সাইড বেঞ্চে। তাকে ছাড়া আফ্রিকার দেশটিকে দিতে হয়েছে কঠিন পরীক্ষা।

বিশ্বকাপের মতো আসরে গিমেনেসের এটিই প্রথম গোল। ডি-বক্সের বাইরে থেকে সুয়ারেজের নেওয়া ফ্রি-কিকে মাথা লাগিয়েই গোলটি করেন তিনি।

এই গোলের আগ পর্যন্ত দুই দলই একে অপরের শিবিরে একের পর এক আঘাত হানে। কিন্তু কিছুটা ভাগ্য আর কিছুটা প্রতিপক্ষ দলের গোলরক্ষকের দক্ষতায় কোন দলই সুযোগগুলোকে গোলে পরিণত করতে পারেনি।

গ্রুপ-এ এর দ্বিতীয় ম্যাচে ইকাটেরিনবার্গ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দুই দল প্রতিপক্ষ শিবিরে মুহুর্মুহু আঘাত হানতে থাকে। গত ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালিস্ট উরুগুয়ের তুলনায় ২৮ বছর পর বিশ্বকাপ খেলতে আসা মিশরকে বেশ শক্ত প্রতিপক্ষই মনে হচ্ছিল। তবে প্লেমেকার এবং আক্রমণ ভাগের মূল খেলোয়াড় মোহাম্মদ সালেহের ইনজুরির কারণে দলের বাইরে থাকার খেসারত বেশ ভালোভাবেই দিতে হয় মিশরকে। উরুগুয়ের ডি-বক্সের একদম কাছে গিয়েও সুন্দর এক ‘ফিনিশারের’ অভাবে গোলের দেখা পায়নি মিশর।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here