মাশরাফি বিন মর্তুজা, এই নামটাই আলাদা একটা অনুভূতি, আলাদা আবেগ। মাঠের ভেতর এবং বাইরে এমন শ্রদ্ধাভাজন ক্রিকেটার এই দেশে আর আসেননি। ক্রিকেটের বাইরেও কেবল ব্যক্তিত্ব দিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অন্য এক স্তরে। যুব সমাজের সেরা আইকনও বলা হয় তাকে।

মাশরাফি হাঁটলেই মানুষ খুশি, বল ধরলেই খুশি, সিঙ্গেল নিলেই খুশি। আর কিছু না করলেও, শুধু মাঠে থাকলেই মানুষ খুশি। তবে নড়াইল এক্সপ্রেসখ্যাত ডান-হাতি এই পেসার বল হাতে আগুন ঝরান। মাঝে মধ্যে পুরোদস্তুর ব্যাটসম্যান বনে যান। মাশরাফি ভালো একজন মোটিভেটরও বটে, পরিবার অন্তঃপ্রাণ। প্রতিবারের মত এবারও ঈদ উদযাপন করতে চলে গেছেন নড়াইল।

ঈদের পরদিন এসএসসি ১৯৯৯ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বন্ধুদের সঙ্গে শোভাযাত্রায় যোগ দেন মাশরাফি। শুধু তাই নয়, ঢোল বাজিয়ে সবাইকে মাতিয়েও তুললেন। ওয়ানডে দলের সফল এই অধিনায়কের ঢোল বাজানো তাক লাগিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষকেও।

মাশরাফির বিদ্যাপিঠ নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সহ ছয়টি বিদ্যালয়ের ১৯৯৯ ব্যাচের এসএসসি শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চত্বর থেকে বের হয় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। মাশরাফিও এই ব্যাচের ছাত্র। তার নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি শহরের পুরাতন টার্মিনালসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

ঢোলের তালে তালে মুখরিত হয়ে ওঠে শোভাযাত্রাটি। এ সময় মাশরাফি বসে থাকেননি। একজন ঢাকির কাছ থেকে ঢোল নিয়ে নিজেই বাজাতে শুরু করেন। তার ঢোল বাজানো দেখে বন্ধুরা অনেকটা অবাক হয়ে যান। শুধু বন্ধুরা নয়, এই দৃশ্য দেখে পথচারী ও আশপাশের লোকজনও অনেকটা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন এবং উপভোগ করেন। অনেকেই তখন বলেন, মাশরাফি শুধু ভালো ক্রিকেটই খেলতে পারেন না, ভালো ঢোলও বাজাতে পারেন।

এদিকে শোভাযাত্রায় মাশরাফির ঢোলের তালে তালে বন্ধুরা নেচে গেয়ে শোভাযাত্রাটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। এসএসসি ৯৯ ব্যাচের ছাত্র জনিউল আলম বলেন, মাশরাফি ঢোল বাজানো শুরু করলে বন্ধুরা অনেকেই অবাক হয়ে যায়। সে এতো ভালো ঢোল বাজাতে পারে, তা আমাদের জানা ছিল না।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here