বান্দরবানের বাসিন্দা ক্রা হ্লা অং মার্মা শনিবার রাতে বিশ্বকাপের খেলা দেখে অনেক রাতে বাড়িতে ফিরেন। তার একমাত্র ছেলে জেন বাবু মার্মাকে (১১) নিয়ে খাগড়াছড়ি আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন স্ত্রী মামুই মার্মানী। বাড়িতে ছিলেন কেবল তাদের মেয়ে ম্যাহ্লাউ মার্মা (১৯)।

আর এই ফাঁকে ম্যাহ্লাউকে নিজ বাড়িতে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের অংহ্লারী উক্যাচিং কারবারী পাড়ার এই মেয়েটি এবার লামা মাতামুহুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

ক্রা হ্লা অং মার্মা বলেন, রোববার সকালে জমির কাজ করতে যাওয়ার আগে মেয়েকে ঘুম থেকে ডাকতে গেলে দেখি সে মরে পড়ে আছে। রাতে কেউ বা কারা তাকে খুন করে গেছে বুঝতে পারছি না। পরে আমি দ্রুত বিষয়টি সবাইকে জানাই।

তিনি বলেন, আমার ঘরের দক্ষিণ পাশের একটি জানালা ভাঙা রয়েছে। মেয়ের গলার একটি চেইন, কানের এক জোড়া দুল, হাতের দুটি আংটি, একটি স্মার্টফোন ও শো কেইচের ড্রয়ার থেকে সামান্য টাকাও নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

এদিকে নিহত ম্যাহ্লাউয়ের ফুফু মাধকে মার্মানী বলেন, ওর (মেয়েটি) গায়ের কাপড় খোলা ছিল। আমরা ধারণা করছি, ধর্ষণের পর তাকে বালিশচাপা দিয়ে মারা হয়েছে। তার গলায় ছোপ ছোপ কালো দাগও আছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার বলেন, ‘সংবাদ পেয়েই বিষয়টি লামা থানাকে অবহিত করি। পার্শ্ববর্তী ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্পের সেনা সদস্যের একটি টিমও সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।’

লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ‘খবর পেয়েই পুলিশ সদস্য নিয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছি। মরদেহের প্রাথমিক সুরহাতাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here