মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের সোলায়মান মুন্সী (৪০) বাড়ৈখালী বাজারে নাবিল টেইলার্সের মালিক। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। এলাকায় নারীলোভী হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত। একাধিকবার অবৈধ মেলামেশার সময় জনতার হাতে ধরা পড়ে মারও খেয়েছেন।

তবে এসব আচরণ মেনে নিলেও নিজ মেয়ের ওপর স্বামীর কুনজর মেনে নিতে পারেননি স্ত্রী দোলন বেগম (৩৫)। এ কারণে বেশ কয়েক বছর আগে স্বামীর সংসার ছেড়েও চলে যান তিনি। পরে পারিবারিকভাবে মিমাংসার মাধ্যমে ফিরে আসেন।

দোলন বেগম জানান, বাড়ৈখালী শ্বশুরবাড়ি থেকে তিন-চারদিন আগে মেয়ে রোকসানা (২০) বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ করতে নিজ বাড়িতে আসেন। কিন্তু রাতে লম্পট বাবা সোলায়মান মুন্সী নিজের মেয়ের ঘরে ঢুকে কু-প্রস্তাব দেয়। পরে রোকসানা এ ঘটনা তার মাকে খুলে বলেন। পর মেয়েকে স্বামীর বড়ভাইয়ের ঘরে পাঠিয়ে দেন দোলনা।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোলায়মান মুন্সী উল্টো স্ত্রীকে মারধর করেন। উপায় না দেখে দোলন বেগম ঈদেরদিন সুযোগ বুঝে তাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। রাত ১২টার দিকে সোলায়মান ঘুমিয়ে পড়লে ধারালো ব্লেড দিয়ে তার লিঙ্গ কেটে ঘর থেকে বের হয়ে যান স্ত্রী।

পরে সোলায়মানের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর স্ত্রী দোলন বেগম নিজ ঘরে ফিরে আসেন। সকালে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আলমগীর হোসেন জানান, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে দোলন বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, মা হিসেবে মেয়ের সম্ভ্রম বাঁচানোর জন্য এর বাইরে আমার আর কিছুই করার ছিল না।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here