নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে ড্রয়ের ফাঁদে যেন আটকা পড়েছিল বিশ্বকাপের টপ ফেভারিটরা। স্পেন, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের দেখাদেখি ইংল্যান্ডও পয়েন্ট ভাগাভাগি করার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল। তবে ভাগ্য ভালো থ্রি-লায়নদের। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ত্রাতা হিসেবে আর্বিভূত হয়ে ইংল্যান্ডকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি ক্যান।

ইনজুরি টাইমে (৯০+১ মিনিটে) করা টটেনহ্যামের এই মেগাস্টারের গোলের ওপর ভর করেই অন্য ফেভারিট ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের মতো জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংলিশ শিবির। তাই ২-১ গোলের অসাধারণ জয়ে দলের বিশ্বকাপ মিশনের শুভসূচনায় ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের খুশীর যেন কোনো সীমা-পরিসীমা নেই।

আফ্রিকান দলকে হারাতে ইংল্যান্ডকে ক্যানের ইনজুরি টাইমের গোলের ওপর নির্ভর করতে হলেও দলের পারফরম্যান্সে গর্বিত ইংলিশ ফুটবল গুরু, ‘ম্যাচ ফল যখন ১-১ সমতায় ছিল তখনও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্বিত ছিলাম আমি। ম্যাচে আধিপত্য বিস্তারের কথা অনেক বলেছি। কারণ এটাই পারফরম্যান্সের চাবিকাঠি। যার মাধ্যমে সব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।’

নিজে জোড়া গোল উপহার দিয়েছেন সেজন্য নয়, পুরো দল হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে অবিচল ছিল। দলের এমন পারফরম্যান্সে গর্বিত ফরওয়ার্ড হ্যারি ক্যান। জয়ের জন্য কৃতিত্বটা দিয়েছেন সতীর্থদের, ‘সতীর্থদের জন্য আমার গর্ব হচ্ছে। কঠিন একটা ম্যাচ ছিল। প্রথমার্ধে আমরা সত্যিই খুব ভালো খেলেছি। ছেলেদের কৃতিত্বটা দিতেই হয়। তারা ধৈর্য ধরে খেলা চালিয়ে গেছে। অটল ছিল ম্যাচের শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত।’

তিউনিসিয়া কোচ নাবিল মালাউল অবশ্য কৃতিত্বটা দিয়েছেন ক্যানকেই। বললেন, ‘তিউনিসিয়াকে হারিয়েছে সেরা স্টাইকার ক্যানই।’

হ্যারি ক্যানের প্রথম গোলেই জয় ছিনিয়ে নিতে পারত ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। প্লেমেকার ক্যানের দ্বিতীয় গোলের জন্য বুভুক্ষু হতে হতো না তাদের। কিন্তু প্রতিপক্ষ তিউনিসিয়া পেনাল্টি পাওয়ায় সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যায়। সেই দুর্যোগ থেকে বাঁচতে পারায় সাউথগেটের আনন্দটা যেন কিছুতেই ধরছে না, ‘সত্যি রূঢ় এক সিদ্ধান্ত (পেনাল্টি) থেকে আমরা পুনরুজ্জীবিত হয়েছি। এবং ধৈর্য্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি, যা আমাকে হৃষ্ট করেছে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here