হট ফেবারিটের তকমা গায়ে আঁটা। তবে শুরুটা হয়েছে বাজে। সুইজারল্যান্ডের মতো দলের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র। নক আউট পর্বে যেতে হলে বাকি দুটি ম্যাচে জয়ের কোন বিকল্প নাই। শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কোস্টারিকা। এই ম্যাচটি কোস্টারিকার জন্যও ডু অর ডাই। কারণ প্রথম ম্যাচে সার্বিয়ার কাছে হেরেছে তারা। পিটার্সবার্গে তাই দলের লড়াইটা বেশ জমবে।

গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে মাঠে নামার আগে দলের আক্রমনভাগের মূল শক্তি নেইমারকে নিয়ে বেশ চিন্তিত কোচ তিতে। ইনজুরি থেকে মুক্ত হয়ে নেইমার মাঠে ফিরেছিলেন সুইসরে বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে। ঐ ম্যাচে স্বাচ্ছন্দে খেলতে পারেননি পিএসজির এ তারকা ফুটবলার। বল পায়ে গেলেই রাফ ট্যাকলের শিকার হয়েছেন তিনি। গত বিশ বছরে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশী ফাউলের শিকার হন তিনি। এক ম্যাচে ১০বারের বেশী কেউ ফাউলের শিকার হননি। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ড্র’র ম্যাচের পর নেইমারের মাঠে নামা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে, তার অনুশীলনে ফেরা দেখে ব্রাজিল সমর্থকরা এখন আশায় বুক বাঁধছেন। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে এখন কোস্টারিকার বিরুদ্ধে জয়ের কোন বিকল্প নেই ব্রাজিলের সামনে।

প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল ড্র করলেও পয়েন্ট হারাতে হয়েছে কোস্টারিকাকে। সার্বিয়ার সঙ্গে ১-০ গোলে তারাও আছে খাদের কিনারায়। হারলেই ছিটকে পড়তে হবে কোস্টারিকাকে। মধ্য আমেরিকার দেশটির বড় আশা তাদের রক্ষণভাগ নিয়ে। কিন্তু খর্বশক্তির সার্বিয়ার কাছে হেরে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই তলানিতে। অথচ এই লটিই বাছাই পর্বে দারুন চমক িেখয়েছিল তাদের রক্ষণভাগ ও গোলপোষ্টের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা কেইলর নাভাসকে নিয়ে। বাছাইপর্বে ১০ ম্যাচে মাত্র সাত গোল হজম করেছিল তারা। তবে কোস্টারিকার মূল সমস্যা আক্রমণভাগের ফুটবলাররে ধারাবাহিকতার অভাব। বাছাইয়ে বেশি গোল করলেও আক্রমণভাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে কোস্টারিকার। ২০১৪ বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে হলে ফরোয়ার্ডরে জ্বলে উঠতেই হবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here