ঈদযাত্রায় সড়কে নিহতদের নিয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন প্রত্যাখান করেছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। রোববার মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এবারের ঈদযাত্রায় সড়কে ১৫২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩৫০ জন।

জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে যাত্রী কল্যাণের প্রতিবেদনে উদ্দেশ্যমূলকভাবে হতাহতের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মন্ত্রণালয়। গত শুক্রবার প্রকাশিত যাত্রী কল্যাণের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদযাত্রায় ৩৩৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দেড় হাজার যাত্রী।

এ সংখ্যা সঠিক করে দাবি করে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিআরটিএ’র জেলা কার্যালয়, পুলিশ রেকর্ড এবং সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল তথানুযায়ী, গত ১২ জুন হতে ২৪ জুন পর্যন্ত ১০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫২ জন নিহত হয়েছে।

এতে বলা হয়, যাত্রী কল্যাণের নামে নিবন্ধনহীন সংগঠনটি বিভিন্ন সময়ে সংবাদ সম্মেলনে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে আসছে। নানান পেশার সম্মানিত ব্যক্তিদের এ সংগঠন কৌশলে সংবাদ সম্মেলনে নিয়ে আসে। বিভ্রান্ত না হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের জবাবে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী সমকালকে বলেন, যাত্রী কল্যাণ সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত সংগঠন। ইতোপূর্বে মন্ত্রণলায় পাঁচবার তাদের প্রতিবেদন নিয়েছে। ২০১৭ সালে সমিতির প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দুর্ঘটনা ১৭ শতাংশ কমেছে। এ তথ্য জাতিসংঘে দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গত ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঁচ দফা অনুশাসন দেন। তা বাস্তবায়নে তিন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে জোরদার কার্যক্রম চলছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে মন্ত্রণালয় সচেষ্ট। সড়ক-মহাসড়কের নির্মাণজনিত ক্রটি দূরের পাশাপাশি ট্রাফিক আইন মেনে চলতে জনসচেতনতার বিকল্প নেই।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here