কোনও ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে মেয়ে। এরপরই পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে নিজের মেয়েকে হত্যা করলেন বাবা। ঘটনাটি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণ জেলার।

ইন্ডিয়াটুডের এক খবরে জানানো হয়েছে, বাবা-মা ও বোনের সঙ্গে থাকতেন চন্দ্রিমা নামের ওই যুবতী। ফার্মেসি বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন তিনি। শনিবারই আঠারোতম জন্মদিন ছিল তার।

বন্ধুদের সঙ্গে জন্মদিন পালনের পর সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরেন চন্দ্রিমা। কিছুক্ষণ পরই ব্যক্তিগত মোবাইল বেজে ওঠে তার। ফোনটি রিসিভ করে বলতে শুরু করেন তিনি। এ সময় চন্দ্রিকার বাবা ফোনে আড়ি পাতেন। ধারণা করেন কোনও যুবকের সঙ্গে কথা বলছেন চন্দ্রিকা। মেয়ের সঙ্গে কারও প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ তৈরি হয় তার। এরপরই চন্দ্রিকার মাথায় ভারি কোনোকিছু দিয়ে আঘাত করে তিনি। এরপর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান চন্দ্রিকা।

প্রতিবেশীদের দাবি, পরিবারের সম্মান রক্ষার জন্য নিজের দুই মেয়ের জীবন নানা নিয়মে বেঁধে রেখেছিলেন চন্দ্রিকার বাবা। তারপরেও মেয়ের কারও সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি মানতে পারেননি তিনি। তাই রাগের বশেই মেয়েকে খুন করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চন্দ্রিকার বাবার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, আগে থেকেই মেয়ের সম্পর্কের বিষয়টি জানতেন চন্দ্রিকার বাবা। কিন্তু সেই সম্পর্ক মেনে নেননি তিনি। চন্দ্রিকার আঠারো বছরের জন্মদিন ছিল শনিবারই। প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যাওয়ায় মেয়ের বিষয়ে আইনতভাবে আর বাধা দিতে পারতেন না চন্দ্রিকার বাবা। পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে তাই মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে খুনই করেছেন তিনি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here