পরপর ছয়টি বিশ্বকাপে খেলছে এশিয়ার দল জাপান। তবে কোনোবারই শেষ ষোলর বাধা কাটিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারেনি তারা। এবারও এগিয়ে থেকে শেষ পর্যন্ত বিদায়ের পথ ধরতে হলো। বেলজিয়ামের কাছে হারলো ২-৩ গোলে।

বেলজিয়ামের জয়ের পেছনে যেমন তাদের কৃতিত্ব রয়েছে, তেমনই চূড়ান্ত দুর্বলতা দেখিয়েছে জাপান। প্রথমার্ধ জুড়ে বেলজিয়ামের ঝড়ের মতো আক্রমণ সামলে দ্বিতীয়ার্ধে ৪৮ ও ৫২ মিনিটে জোড়া গোলে এগিয়ে যায় নীল সামুরাইরা। কিন্তু তারপর রক্ষণভাগকে দৃঢ় করার পরিবর্তে তারা আরও গোল করতে আক্রমণ চালিয়ে যায়। ফলে যা হওয়ার তাই হল। ৬৯ মিনিটে আকাশ ছুঁয়ে গোল করলেন ভারতোনঘেন। ৭৪ মিনিটে হেডে ম্যাচে সমতায় ফেরান ফেলাইনি। আর শেষের গোলটার বর্ণনা না দিলে অপূর্ণতাই থেকে যায়।

অতিরিক্ত সময়ও প্রায় শেষ। বেলজিয়ামের গোলরক্ষক বল ছুঁড়ে দিয়েছিলেন ডি ব্রুইনের দিকে। সেই বল নিয়ে দুরন্ত গতিতে মাঝমাঠ পর্যন্ত ছুটে ব্রুইন বল দিলেন থমাস মিউনিয়েরকে। ডান প্রান্তের দিক দিয়ে মিউনিয়ের পেনাল্টি বক্সে বল দিলেন লুকাকুকে। লুকাকু বল না ধরে ছেড়ে দিলেন ন্যাসের চ্যাডলিকে। বাঁ পায়ে অসাধারণ শট এবং গোল। গোলের একটু পরই খেলা শেষ হয়ে গেল। এবারের বিশ্বকাপ থেকে শেষ হয়ে গেল এশিয়ার স্বপ্ন। আর দর্শকরা পেয়ে গেলেন কোনোদিন ভুলতে না পারার মতো একটি ফুটবল ম্যাচ দেখার স্বাদ।

জাপান প্রাণ ঢেলে খেললেও বেলজিয়ামের থেকে সব দিকেই পিছিয়ে ছিল। তবু নিজেদের অর্জন করা সোনার সুযোগ যে তারা ধরে রাখতে পারল না, তাতে নিশ্চয়ই খুশি হল না ব্রাজিল। কোয়ার্টার ফাইনালটা বেলজিয়ামের সঙ্গেই খেলতে হবে নেইমারদের। আর সেটা যে সহজ হবে না তার আভাসও দিয়ে রেখেছেন লুকাকুরা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here