নানা বাড়ি থেকে গত ২১ জুন নিখোঁজ হয় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাবাসছুম। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার কালাইমাঝি কান্দি গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী বাদল মাঝির মেয়ে সে। ঘটনার একদিন পর খবর আসে, কে বা কারা ওই কিশোরীকে হত্যা করে ঢাকার আশুলিয়ায় ফেলে রেখে গেছে।

এই খবরে পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। পরে ২৪ জুন ওই লাশ বাড়ি নিয়ে তারা দাফনও করে। সেই শোক কাটতে না কাটতেই ঘটনার আটদিন পর বাড়িতে হাজির তাবাসছুম! সঙ্গে তার প্রেমিকও রয়েছে। এ সময় ওই কিশোরীকে দেখার জন্য হাজার হাজার লোক এসে জড়ো হয়।

তাবাসুমের মা নিলুফার বেগম বলেন, ‘যেদিন তাবাসছুম নিখোঁজ হয়েছিল তার একদিন পরই আশুলিয়ায় ওই মেয়ের লাশ পাওয়া যায়। লাশটি তাবাসছুমের মতোই দেখতে ছিল। তাই আমরা ভেবেছিলাম তাবাসছুমকে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করে ঢাকা থেকে ওই লাশ বাড়িতে এনে দাফন করেছি। মেয়ের মৃত্যুর কথা শুনে কে ঠিক থাকে বলেন? তাছাড়া তাবাসছুম বেঁচে আছে ওই কথাটাও তখন আমাদেরকে জানানো হয়নি।’

এদিকে তাবাসছুম জানায়, নানা বাড়ি থেকে পালিয়ে সে তার প্রেমিক আজিজ মৃধার সঙ্গে বান্দরবন ঘুরতে গিয়েছিল। সেখানকার একটি মসজিদের সামনে তাদের বিয়েও হয়। পরে লাশের ঘটনা জানতে পেরে বান্দরবন থেকে ঢাকা হয়ে বাড়ি ফিরে আসে।

এখন তাবাসছুম ভেবে দাফনকৃত অজ্ঞাত ওই কিশোরীর লাশের পরিচয় নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তাহলে ওই কিশোরী আসলে কে?

এ বিষয়ে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ‘শুনেছি তাবাসছুমকে পাওয়া গেছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here