নতুন করে আরও ১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৮৭ কোটি টাকা। ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেকের সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, অর্থবছরের প্রথম একনেক সভায় মোট ৮ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৩ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ১৭৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে যোগান দেয়া হবে ৩ হাজার ৩৪ কোটি টাকা।

অনুমোদিত পাসপোর্ট অফিসগুলো নির্মাণ করা হবে ১৬ জেলায়- লালমানিরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও, খাগড়াছড়ি, নাটোর, পঞ্চগড়, নড়াইল, জয়পুরহাট, শেরপুর এবং বান্দরবান।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ২০১০ সাল পর্যন্ত ১৫টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট সেবা দেয়া হতো। এরপর আরো ৫২টি পাসপোর্ট অফিস সৃজন করা হয়। বর্তমান সৃজনকৃত পাসপোর্ট অফিস রয়েছে ৬৭টি, এর মধ্যে ৬৪ জেলায় ৬৪টি, ঢাকার উত্তরা ও কেরানীগঞ্জে দু’টি এবং চট্টগ্রামে অতিরিক্ত একটি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে চারটি, দ্বিতীয় পর্যায়ে ১১টি, তৃতীয় পর্যায়ে ১৯টিসহ ৩৪টি অফিস নির্মাণ করা হয়েছে।

বর্তমানে ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ কাজ চলমান আছে। মঙ্গলবার অনুমোদিত প্রকল্পের মাধ্যমে অবশিষ্ট ১৬ জেলায় নতুন অফিস নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here