ইতিহাসের চাকা ঘুরিয়ে টাইব্রেকারে ১-১ (৪-৩) গোলে কলম্বিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড। সেই সঙ্গে অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেল হ্যারি কেনের গোল্ডেন বুট। এই ম্যাচেও তিনি পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করেছেন। সব মিলিয়ে তার গোল সংখ্যা ৬।

১২০ মিনিটের খেলায় কলম্বিয়া মারামারি ছাড়া তেমন কিছুই করতে পারেনি। অতিরিক্ত সময়ে কয়েকটা ক্রস তুলে হেডে গোল করার চেষ্টা করেছিল। আর একবার, ইনজুরি টাইমে একটা ভালো কর্নার। যেটা থেকে ডিফেন্ডার ইয়েরি মিনা হেডে গোল দিয়ে দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন।

ডিফেন্স থেকে উঠে এক বিশ্বকাপে তিনটি হেডে গোল দিলেন বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডার। এটা কোনো রেকর্ড কিনা, এখনও জানা যায়নি। তবু সেই গোলটাও হয়েছিল, শেষ দিকে ইংল্যান্ড কিছুটা গা-ছাড়া দিয়েছিল বলে।

ম্যাচে ব্রিটিশরাও যে তেমন কিছুই করতে পেরেছে তাও কিন্তু নয়। দ্বিতীয়ার্ধে স্যাঞ্চেজ অকারণ ফাউলটা না করলে পেনাল্টি থেকে বিশ্বকাপে হ্যারি কেনের ষষ্ঠ গোলটা হত না। আর সেই গোলেই বাজিমাত করতে চেয়েছিল তারা।

তারপর যেটা হল, সেটা ইতিহাসের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েই। এর আগে তিনবার বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে হেরেছিল ব্রিটিশরা। এবার সেই ফারা কাটলো। তাও কলম্বিয়ার গোলকিপার একটা গোল আটকে দেশকে অ্যাডভান্টেজ এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু তার দুই সতীর্থ তীরে এসে তরী ডুবিয়েছেন। একজন ক্রসবারে, অন্যজনের শট সেভ করলেন ব্রিটিশ গোলকিপার।

কোয়ার্টার ফাইনালে সুইডেনের সামনে সাহেবরা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here