রোনালদো না মেসি— শ্রেষ্ঠত্বের সিংহাসনে অধিষ্ঠান কার! এমন বিতর্ক দুনিয়া জোড়া। বিশ্বকাপেও এর নিষ্পত্তি হয়নি। কারণ শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। তবে শ্রেষ্ঠত্বের এই বিতর্কই এবার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিল রাশিয়ায়। যে দেশে এবার ফুটবলের বিশ্বকাপ হচ্ছে, সেই দেশেরই এক ব্যক্তি এবার নিজের স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, বাড়িটির ওই কর্তা মেসির অন্ধভক্ত। কিন্তু তার স্ত্রী আবার রোনালদোর গুণমুগ্ধ। এই মহা দ্বৈরথে শেষমেশ ঘর ভাঙল দম্পতির। রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘অর্গুমেন্তো ই ফকতি’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফুটবলপাগল এক দম্পতির সম্পর্কে চিড় ধরে। নেপথ্যে সেই রানালদো বনাম মেসির চির বিতর্কিত রসায়ন।

সেই ব্যক্তির নাম আর্সেন, স্ত্রীর নাম লুডমিলা। আর্জেন্টিনা বনাম নাইজেরিয়া ম্যাচের পরেই প্রবল তর্কাতর্কি শুরু হয় তাদের মধ্যে। মেসিরা রোমাঞ্চকর ম্যাচে শেষ ষোলোয় পৌঁছনোর পরেই আর্সেন তুমুল সেলিব্রেশনে মাতেন। এর পরেই আসরে নামেন স্ত্রী লুডমিলা।

তিনি প্রবল ঝগড়া শুরু করে দেন। বলতে থাকেন, রোনালদো যে কোনও পরিস্থিতিতে মেসির থেকে অনেক বড় ফুটবলার। স্ত্রীর সঙ্গে তর্কাতর্কিতে পেরে উঠতে না পেরে আর্সেন সিদ্ধান্ত নেন, আর নয় অনেক হয়েছে। তিনি তল্পিতল্পা গুটিয়ে বাড়ি ছাড়েন। এর পরেই তিনি উরাল প্রদেশে চেলিয়াবিনস্ক আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেন।

যে বিশ্বকাপ নিয়ে সম্পর্ক শেষ, সেই বিশ্বকাপের লগ্নেই অবশ্য ভালবাসার গল্পের সূত্রপাত। ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপের সময়েই দেখা হয় আর্সেন-লুডমিলার। তারপর থেকেই সম্পর্ক পরিণতি পায় বিবাহে।

তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে আর্সেন জানিয়েছেন, চলতি বিশ্বকাপ শুরুর দিন থেকেই মেসিকে ব্যঙ্গ করছিল তার স্ত্রী। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে পেনাল্টি মিস করার পরে আরও বিদ্রুপে ভরিয়ে দিচ্ছিল আমাকে। মেসিকে গালিগালাজ করার পরে নিজেকে সংযত রাখতে পারিনি। রোনালদোকে নিয়ে আমার যা ভাবনা তা ওকে স্পষ্ট করে দিয়ে বাড়ি ছাড়ি চিরতরে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here