ফরিদপুরের সালথা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মনের (৪৫) বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের পাঁচ নম্বর আমলী আদালতে মামলাটি করেন সালথা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিবুল হাসান জুয়েল।

পরে ওই আদালতের বিচারক মো. সুমন হোসেন মামলাটি আমলে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এ মামলার পরবর্তি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ আগস্ট।

মামলার বাদী রাকিবুল হাসানের আইনজীবী বিশ্বজিৎ গাঙ্গুলী জানান, সালথা কলেজের অধ্যক্ষ কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মন তার কার্যালয়ের নিজ কক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টানাননি। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টানানো বাধ্যতামূলক। ওই অধ্যক্ষ তার কক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি না টানিয়ে সংবিধানের নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মনের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তার স্ত্রী সরস্বতী রাণী বর্মণ জানান, কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষটি স্থনান্তর করার কাজ চলছিল, এ জন্য বঙ্গবন্ধুর ছবিটি নামিয়ে রাখা হয়েছিল। গত ১ জুলাই কালেজে নবীণবরন অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানের ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকার অজুহাতে পরদিন স্থানীয় ছাত্রলীগের ১২-১৫ নেতা-কর্মী অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিত করেছেন এবং কক্ষের চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি করে কলেজে অরাজকতা সৃষ্টি করেছেন।

বিষয়টি সাংবাদিকদের না জানাতেও অধ্যক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিল তারা। এখন উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে অধ্যক্ষ কৃষ্ণ বর্মনকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সরস্বতী রাণী বর্মণ।

ফরিদপুর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রাকিবুল ইসলাম বলেন, আদালতের আদেশ আমরা এখনও পাইনি। আদেশ পাওয়ার পর এ ব্যাপারে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here