উজানের ঢলে ও ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এখনও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তিস্তায় নতুনভাবে বিপদসীমার পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ দশমিক ৬০ মিটার।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় তিস্তার পানি বিপদসীমার ৫২ দশমিক ৫৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেলে তা বেড়ে ৫২ দশমিক ৬৫ সেন্টিমিটারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় দুই হাজার বসত বাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের সর্ববৃহৎ তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

তিস্তায় পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার চরবেষ্টিত গ্রামগুলোতে নদীর পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়াও বেশকিছু আবাদি জমি তলিয়ে গেছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম চৌধুরি জানান, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চর এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here