প্রথম ইনিংসে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড গড়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও বিব্রতকর ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ। যে উইকেটে বাংলাদেশি বোলারদের পিটিয়ে চারশোর্ধ্ব রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সেই উইকেটেই স্বাগতিক বোলারদের বিপক্ষে দুই ইনিংস মিলিয়ে একশ পার করতেই ১৬ উইকেট হারিয়েছে সাকিব-মুশফিকরা।

প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ এখন একশ’র নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কায়। সেই অর্থে প্রথম ইনিংসের চেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে উন্নতিই হয়ে বলা যায়! দ্বিতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৬২ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ইনিংস পরাজয় এড়াতে এখনো দরকার ৩০১ রান।

এর আগে সফরকারীদের ৪৩ রানের জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪০৬ রান করে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরিতে ১২২ রান করেন ক্রেইগ ব্রাথওয়েট। শাই হোপের ব্যাট থেকে আসে ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৭ রান। শেষ দিকে কেমার রোচ ও জেসন হোল্ডার উভয়েই খেলেন ৩৩ রানের ইনিংস।

বাংলাদেশের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও আবু জায়েদ রাহী। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ২টি ও ১টি করে উইকেট নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও কামরুল ইসলাম রাব্বি।

৩৬৩ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসেরই পুনঃমঞ্চায়ন করে বাংলাদেশ। তবে প্রথম ইনিংসে কেমার রোচ ধ্বসিয়ে দিলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে এই দায়িত্ব নেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। প্রথম ইনিংসে কেবল লিটন কুমার দাশ একা দুই অঙ্ক স্পর্শ করলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে তিনজন ব্যাটসম্যান পার করেন দশ রানের কোটা।

ইনিংস সর্বোচ্চ ১৫ রান নিয়ে দিন শেষ করেছেন মাহমুদউল্লাহ। অপর অপরাজিত ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ৭ রানে। সাজঘরে ফেরা তামিম ১৩, লিটন ২, মুমিনুল ০, মুশফিক ৮, সাকিব ১২ ও মিরাজ আউট হন ২ রান করে।

স্বাগতিকদের পক্ষে ৪ উইকেট নেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। অধিনায়ক জেসন হোল্ডার নেন ২ উইকেট। প্রথম ইনিংসের নায়ক কেমার রোচ বোলিংয়েই আসেননি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here