দেশে এখনো ৮ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ কেরোসিনের আলোয় নির্ভরশীল। ২০১৬ সালে এ হার ছিলো ১৩ শতাংশ। তবে কেরোসিন নির্ভরশীলতার হার ক্রমান্বয়ে দ্রুততার সাথেই কমছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সম্প্রতি বিবিএসের মনিটরিং দ্য সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস অব বাংলাদেশ (এমএসভিএসবি) শীর্ষক প্রকল্পের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর হার বাড়ায় দিনদিনই কমছে কেরোসিন তেলের ব্যবহারকারীর সংখ্যা। যা প্রতি বছরই ধারাবাহিকভাবে দ্রুততার সাথে কমছে। কেরোসিন ব্যবহারের হার ২০১৩ সালে ছিল ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০১৪ সালে কমে দাঁড়ায় ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ, তবে সবচেয়ে বেশি এ হার ২০১৫ সালে কমে দাঁড়ায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ শতাংশে এবং বর্তমানে এ হার ৮ দশমিক ৮ শতাংশ।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক এ.কে.এম. আশরাফুল হক বলেন, বর্তমানে রিপোর্টটি ২০১৭ সালে মোট ২ হাজার ১২টি নমুনা এলাকায় ২ লাখ ৯৫ হাজার ১৭৫টি খানা বা পরিবার থেকে সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী দিন-দিন কেরোসিনের আলোয় মানুষের নির্ভরশীতা কমছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here