টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে স্বাগতিক রাশিয়াকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়া। মূল খেলা ১-১ গোলে অমিমাংসীত থাকায় তা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ৩০ মিনিটে গোল গিয়ে দাঁড়ায় ২-২। তাই নিতে হয় টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত। তাতে শেষ হাসি হাসে ক্রোটরা। তবে শক্তিশালী দলের সঙ্গে ভালো খেলায় স্বাগতিকরাও ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেছে।

ক্রোয়েশিয়া ফেভারিট হিসেবে নামে। তবে ঘরের মাঠে রাশিয়াও ছাড়ার পাত্র নয়। দুই দলই প্রথম কয়েক মিনিটে বারবার আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। খেলার ৩১ মিনিটে ডেনিস চেরিসেভের অাসাধারণ গোলে ১-০তে এগিয়ে স্বাগতিকরা। আর গোল হজম করে কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে পড়ে ক্রোটরা। ৩১ মিনিটে গোলেরও দেখা পেয়ে যায়। মান্দসুকিচের মাইনাসে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান ক্র্যামারিচ।

দ্বিতীয়ার্ধে আর কেউই গোলের দেখা পায়নি। তাই শুরু হয় অতিরিক্ত সময়ের খেলা। অতিরিক্ত সময়ের ১১ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে এগিয়ে নেন ভিদা। ১১১ মিনিটের মাথায় সুযোগ এসেছিল রাশিয়ার সামনে। কাজে লাগাতে পারেনি, বল চলে যায় ক্রোট গোলকিপার সুবাসিচের হাতে। পরে অবশ্য বক্সের একেবারে বাইরে ফ্রি কিক স্বাগতিকরা। আর সেখান থেকেই ১১৪ মিনিটের মাথায় ২-২ গোলে সমতায় ফিরিয়ে উল্লাসে মাথায় পুরো স্টেডিয়ামকে।

স্পেনবদের স্বপ্ন নিয়ে টাইব্রেকারে যায় আকিনফিভরা। কিন্তু না স্বপ্নভঙ্গ, তাদের প্রথম শটই আটকে দেন ক্রোট গোলরক্ষক সুবাসিচ। শেষ হাসি হাসতে আর বেশি সময় লাগেনি। পেনাল্টিতে ৪-৩ গোলে রাশিয়াকে কাঁদিয়ে মাঠ ছাড়েন লুকা মদরিচরা।

সংযুক্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব করে ১৯৬৬ সালে একবার সেমিফাইনাল খেলেছে রাশিয়া। সেটাই শেষ সেমিতে ওঠা। সোভিয়েত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর বিশ্বকাপে আর ভালো পারফরম্যান্স তেমন নেই রাশিয়ার। এবার ঘরের মাঠে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলে সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে রুশরা। নজর কাড়ে স্পেনকে বিদায় করার পর।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here