১৯৯০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। শিরোপার খুব কাছাকাছি পৌঁছে ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট এতোটাই খুশি যে মনের ভাব প্রকাশের ভাষাই খুঁজে পাচ্ছেন না। নিজেকে যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না। তার কাছে শেষ চারে খেলার সুযোগ পাওয়াটা ‘অবিশ্বাস্য এক অনুভূতি।

বিশ্বকাপে পা রাখার আগে ইংল্যান্ডের প্রত্যাশা ছিল নেহাৎ কমই। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্ব কণিষ্ঠ দল তারা। কিন্তু তারপরও মানসিকতায় পরিবর্তন এনে ফুটবল প্রেমীদের অবাক করে শেষ চারে পৌঁছে গেছে তারা। ৪৭ বছরের কোচের দৃষ্টিতে এটা দলীয় পরিশ্রমের ফসল, ‘সমষ্টিগত স্পিরিটের জন্য আমরা এখন সেমিফাইনালে।’

স্বপ্নের ফাইনাল থেকে মাত্র এক ম্যাচ দূরে আছে ইংল্যান্ড। বুধবার মস্কোতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে স্মরণীয় এক ম্যাচ খেলার সুযোগ এনে দিয়ে উচ্ছ্বাসের বন্যায় ভাসিয়েছে দেশবাসীকে। ইংল্যান্ডবাসীর খুশিতে খুশি কোচ সাউথগেটও, ‘প্রত্যাশা করছি দেশের সবাই আজকের রাতটা উপভোগ করেছে। কারণ এমনটা সব সময় ঘটে না।’

কলম্বিয়ার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সতর্ক ছিল ইংল্যান্ড। তাই কোচ সাউথগেট জানালেন নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে সুইডেনকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তার দল, ‘অতিরিক্ত সময় আর পেনাল্টির ধকল সামলে পরাস্ত করতে হয়েছে কলম্বিয়াকে। তাই আমরা জানতাম সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচটা ভিন্ন একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। যেকারণে আমরা সকল আবেগ ও শক্তি দিয়ে খেলেছি।’

ফুটবলারদের শরীরের ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। তারপরও ইংলিশ ফুটবলাররা হাল ছেড়ে দেয়নি। সাউগেটের মতে, মনোবলের দৃঢ়তায় হাতে ধরা দিয়েছে সোনার হরিন নামক জয়, ‘খেলোয়াড়রে শারীরিকভাবে অনেক চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু দলের অবিচল মানসিকতাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রতিপক্ষ সুইডিশ ফুটবলাদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কোচ সাউথগেট, ‘আমরা জানতাম ম্যাচের বল খলের লড়াইয়ে আমরাই এগিয়ে থাকব। কিন্তু প্রতিপক্ষকে দমিয়ে দেওয়াই ছিল আসল কাজ। কারণ সুইডেন সত্যিই খুব সংগঠিত দল। অনেক দিন আমরা তাদের অবজ্ঞা করে এসেছি।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here