দেখতে দেখতে রাশিয়া বিশ্বাকাপ সেমি ফাইনালে এসে ঠেকেছে। এখন হবে ফাইনালে যাওয়ার লড়াই। এই লড়াইয়ে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় সেন্ট পিটার্সবার্গে মুখোমুখি হবে ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও বেলজিয়াম। এবার দুর্দান্ত সব খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া এই দুই দলের লড়াইয়ের আগেই তাই ফুটবল ভক্তরা পাচ্ছে ফাইনালের স্বাদ। বলা হচ্ছে এই খেলায় যে দল জিতবে, তাদের হাতেই হয়তো উঠবে বিশ্বকাপের ট্রফি।

এর আগে অন্য কোনো সময় ফ্রান্স-বেলজিয়াম লড়াই হলে তা হয়তো রোমাঞ্চকর ম্যাচের স্বীকৃতি পেতো না কখনোই। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপে দুই দলের লড়াইটি তো রোমাঞ্চের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে হাজির। দুই দল দারুণ ফুটবল খেলে ম্যাচটিকে নিয়ে গেছে দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে। এই টুর্নামেন্টে দুই লাতিন পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের বিদায়ও হয়েছে ইউরোপের এই দুই দলের হাতে। শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের কাছে আর্জেন্টিনা, আর কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের কাছে ব্রাজিল।

ফ্রান্স একবারের শিরোপা জয়ী দল। বিশ্বকাপ শুরুর আগে টপ ফেভারিটের তালিকায় না থাকলেও তাদেরও সম্ভাবনা দেখছিলেন কেউ কেউ। তারুণ্য নির্ভর দুর্দান্ত এই দলের ডাগআউটে কোচ হিসেবে রয়েছেন দিদিয়ের দেশম। যার অধিনায়কত্বেই বিশ্বকাপ জিতেছিল ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপে, পল পগপা, উমানে ডেম্বেলে, আতোইন গ্রিজম্যানের মতো তারকা তাদের দলে।

অন্যদিকে ফেভারিটের আলোচনায় কখনোই ছিল না বেলজিয়াম। কিন্তু একঝাঁক নন্দিত ফুটবলার তাদের দলেও। রোমেরো লুকাকু, আইডেন হ্যাজার্ড, কেভিন ডি ব্রুইনদের দলটাকে বলা হচ্ছে বেলজিয়ামের সোনালী প্রজন্ম। সেই সোনালী প্রজন্মে ভর করেই এখন স্বপ্নের দ্বার প্রান্তে দলটি। বিশ্বকাপের যাদের সেরা সাফল্য ১৯৮৬ বিশ্বকাপে চতুর্থ হওয়া।

এই দুই দলের সম্পর্কটা অবশ্য খুবই ঘনিষ্ট বলতে হবে। মোট ৭৪ বার মুখোমুখি লড়াই হয়েছে এই দুই দলের। যেখানে অবশ্য বেলজিয়ামের জয়ের পাল্লাই ভারি। ৩০ বার জিতেছে বেলজিয়াম, ২৪ ম্যাচে ফ্রান্স আর ১৯ ম্যাচ ড্র হয়। বিশ্বকাপে অবশ্য দুই দলের ২ বারের দেখাতেই জয় ফ্রান্সের। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে যে চতুর্থ হওয়ার বেলজিয়ামের, সেটি ফ্রান্সের কাছে তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচে হেরেই।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here