একদল শেষ বিশ্বকাপ জিতেছিল ১৯৬৬ সালে, আর অন্য দলের সর্বোচ্চ সাফল্য দ্বিতীয়বারের মতো সেমিফাইনাল খেলা। এমন সমিকরণের মখে দাঁড়িয়ে আজ রাতে রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখেমুখি হবে ইংল্যান্ড এবং ক্রোয়েশিয়া।

এই খেলায় বিজয়ীরাই আগামী ১৫ জুলাই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের। তাই দ্বিতীয় শিরোপা জিততে মরিয়া ইংল্যান্ডিএই খেলাকে নিয়েছে তাদের ফুটবলকে এর জন্মস্থানে ফেরানোর মিশন হিসেবে। আর নিজেদের ফুটবল ইতিহাস নতুন করে লিখতে মরণকামড় দিতে প্রস্তুত ক্রোয়েশিয়াও।

অবশ্যবিশ্বকাপ শুরুর আগে এই দুই দল যে এত দূর আসবে তা তাদের পাঁড় সমর্থকরাও হয়তো ভাবেননি। ইংল্যান্ড তো বহু বছরের মধ্যে বিশ্বকাপ খেলতে এসেছে বড় কোনো প্রত্যাশা ছাড়া। বিশ্বসেরা আসরে সাম্প্রতিক বছরগুলোর হতাশা তো ছিলই, সঙ্গে যোগ হয়েছে ২০১৬-র ইউরোতে ‘পুঁচকে’ আইসল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার লজ্জা। আর ক্রোয়াটদের ওপরও প্রত্যাশার জোয়াল চাপানো ছিল না। আর্জেন্টিনার গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করাই ছিল প্রাথমিক লক্ষ্য।

সেই দল দুটি কি না বাজির দর উল্টে চলে এলো সেমিফাইনালে! গ্রুপ পর্বে তিউনিসিয়া-পানামার বিপক্ষে দুই জয়ে নকআউট পর্বে ওঠা নিশ্চিত করার পর বেলজিয়ামের বিপক্ষে দ্বিতীয় একাদশ নামায় ইংল্যান্ড। তাতে হেরে গ্রুপ রানার্সআপ হওয়াটা পরিণত শাপেবরে। ফাইনালে ওঠার পথে তুলনামূলক সহজ পথ যে পায় গ্যারেথ সাউথগেটের দল! শেষ ষোলোতে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারানোর পর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইডেনকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চারের লড়াইয়ে এখন ইংল্যান্ড।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনাসহ তিন দলকে হারিয়ে শতভাগ জয়ের রেকর্ড নিয়ে নকআউট পর্বে ওঠে ক্রোয়েশিয়া। এখানে দুটি জয়ই টাইব্রেকারে—প্রথমে ডেনমার্ক, পরে রাশিয়া তাদের শিকার। আজ দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে ক্রোয়েশিয়া।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here