টান টান উত্তেজনা। রুদ্ধশ্বাস লড়াই। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল বলে কথা! মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে সুকেরের স্বপ্নের স্মৃতি উসকে দিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া। থ্রি লায়ন্সের গর্জন থামিয়ে দিয়ে ২-১ গোলে জয় তুলে নেয় ক্রোটরা। এখন শেষ যুদ্ধটা ফ্রান্সের সঙ্গে। তবে কি নতুন চ্যাম্পিয়ন পাবে বিশ্ব? অঘটনের বৃত্ত কি সম্পূর্ণ হবে?

বিশ্বকাপের শেষ সাক্ষাতে ইংল্যান্ডের কাছে ১-৫ গোলে পরাস্ত হয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন দাভর সুকের। এদিন সেই হারেরই মধুর প্রতিশোধ নিলেন মদ্রিচরা। আর সেই সঙ্গে সৃষ্টি করলেন নতুন ইতিহাস। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়েই যে দেশ তৃতীয় স্থানে শেষ করেছিল, তারাই এবার ফাইনালে খেলবে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে।

১৯৯০ বিশ্বকাপে ববি রবসন, গ্যারি লিনেকাররা শেষবার দলকে সেমিফাইনালে পৌঁছে দিয়েছিলেন। ডেভিড বেকহ্যাম, ওয়েন রুনিরা এসেও ইংল্যান্ডের অন্ধকার দূর করতে পারেননি। সেই অন্ধকারে আলো জ্বালাতে ব্যর্থ হ্যারি কেনও। শুরুটা দুর্দান্ত ছিল তাদের। কী আত্মবিশ্বাসী গোটা দল। যার ফসল মেলে মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে ফ্রিকিক থেকে ট্রিপিয়ারের দুর্দান্ত একটা গোল। তবে গোলের পরও উচ্ছ্বাসে ভাসলেন না কোচ সাউথগেট। পরে আর ক্রোয়েশিয়ার কঠিন রক্ষণ ভাঙতে পারেননি ইয়ং, স্টারলিংরা।

প্রথমার্ধে ইংলিশদের দাপটে রীতিমতো একপেশে হয়ে পড়া ম্যাচের ৬৮ মিনিটে কামব্যাক করা মুখের কথা নয়। ওয়াকারের মাথার ওপর দিয়ে বাঁ পায়ে বল জালে জড়িয়ে সমতায় ফেরান পেরিসিচ। আর তাতেই জমে যায় শেষ চারের লড়াই। বাকি কাজটা অতিরিক্ত সময়ে করেন মান্দজুকিচ। অঘটনের বিশ্বকাপে এর চেয়ে বড় ক্লাইম্যাক্স আর কীই বা হতে পারত?

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here