ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ক্রোয়েশিয়া। রোববার শিরোপা লড়াইয়ে ক্রোয়েটরে প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ফ্রান্স। তবে ফরাসিদের বিরুদ্ধে ফাইনালের জন্য প্রস্তুত আছে ক্রোয়েশিয়া। এমন দৃঢ় আত্মবিশ্বাস ফুটছে ক্রোয়েট কোচ জলাতকো দালিচের।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে শুরুতে পিছিয়ে পরেও লের জয় প্রসঙ্গে দালিচ বলেন, ‘খেলার প্রতিটি ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের চেয়ে দল হিসেবে আমরা ভালো করেছি। আমরা তারে খাটো করে দেখেনি। আমরা তাদের সমীহ করেছি। কারণ আমরা তাদের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করেছিলাম। আমরা জানতাম তারা কোথায় কী করতে যাচ্ছে।’

শেষ চারের ম্যাচে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে ক্লান্ত ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু কোচ দালিচ কিন্তু তা মানতে নারাজ। তার দৃঢ় আত্মবিশ্বাস, তারুণ্য নির্ভর ফরাসি ফুটবল বিপ্লব রুখে দিতে ফাইনালের জন্য প্রস্তুত ক্রোয়েশিয়া, ‘আরো একটি অগ্নি পরীক্ষার মুখোমুখি আমরা। তবে চমৎকার একটি ম্যাচটি হবে ফাইনাল। আমরা এর জন্য প্রস্তুত। আমি নিশ্চিত সবাই ম্যাচটি দেখে উপভোগ করবে। ফ্রান্সের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা আছে আমার।’

১৯৯৮ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্ন গুড়িয়ে দিয়েছিল ফ্রান্স। ফাইনালের প্রতিপক্ষ আবার সেই ফ্রান্স। মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ এখন ক্রোয়েশিয়ার সামনে। কিন্তু কোট দালিচ সেভাবে খেলছেন না। ফরাসি তারুণ্যকে হালকাভাবে নিচ্ছে না, ‘ফাইনালে উঠা লের মধ্যে কোনো দুর্বলতা নেই। চমৎকার ফুটবলাররে নিয়ে গড়া শীর্ষ সারির দল তারা। কিন্তু ফ্রান্সকে নিয়ে আগামীকাল আলোচনা করতে যাচ্ছি। এ বিষয়ে আমরা ধাপে ধাপে এগিয়ে যাব। আজ আমরা ফাইনালে উঠেছি। উদযাপন করব বিশ্রাম নেব। তারপরেই ফ্রান্সের জন্য প্রস্তুতি নেব।’

ম্যাচ শুরুর আগেই উৎসাহ দিয়েছেন কোচ দালিচ। তা শেষ অবধি তা কাজেও দিয়েছে। ক্রোয়েশিয়ান ফুটবল গুরু জানালেন সেটাও, ‘আমরা অনুপ্রাণিত ছিলাম। ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের আমি বলেছিলাম, চাপ নেওয়ার কিছু নেই, দুশ্চিন্তা কর না, মাথা ঠান্ডা রেখো, আমরা সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছি। এজন্য গর্বিত হও এবং নিজেদের ফুটবল খেলাকে উপভোগ কর। তারা তাই করেছে। ফুটবলাররা নিজেদের খেলাকে উপভোগ করেছে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here