বাংলা সাহিত্যের আজ সেই দুঃখীতম দিন। ২০১২ সালের এই দিনেই বাংলা কথাসাহিত্যের রাজপুত্র খ্যাত হুমায়ূন আহমেদ মরণব্যাধি ক্যান্সারে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। মহান এই সাহিত্যিকের ষষ্ঠ মৃতু্যবার্ষিকীতে নানাভাবে তাকে স্মরণ করেছেন স্বজন-ভক্ত-শুভার্থীরা।

দিনটি উপলক্ষে হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের পক্ষ থেকে গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ ভোরে লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও তাদের দুই সন্তান নিষাদ, নিনিত নুহাশপল্লীতে গিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করেছেন।

এছাড়া ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালনে নুহাশপল্লীতে কোরআন খানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আশপাশের মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্র, পরিবারের সদস্য এবং হুমায়ুন আহমেদের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন লেখকসহ প্রায় ৬শ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে।

এই বিষয়ে নুহাশপল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, আজ সকাল থেকে আশপাশের কয়েকটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্ররা নুহাশপল্লীতে কোরআন তেলাওয়াত করবে। পরে তারা কবর জিয়ারত ও দোয়ায় অংশ নেবে। ইতিমধ্যে প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী নুহাশপল্লীতে আসছেন। বিশেষ করে হুমায়ূন ভক্ত তরুণ প্রজন্মের অনেক শিক্ষার্থীরা নুহাশপল্লীতে ভিড় করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকও আসছেন নুহাশপল্লীতে।

এদিকে হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠনও নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। বিভিন্ন চ্যানেলে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চলছে হুমায়ূন স্মরণ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here