দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে এক লাখ ৪২ হাজার টন কয়লা লুটের ঘটনায় তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুর্নীতির অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সংস্থাটি।

দুদকের উপ-পরিচালক শামসুল আলমের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন সহকারী পরিচালক এএসএম সাজ্জাদ হোসেন ও উপ-সহকারী পরিচালক এএসএম তাজুল ইসলাম।

আর দুদক পরিচালক কাজী শফিকুল আলমকে এই অনুসন্ধান কাজের তদারকি করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টচার্য এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘দুদক আইন অনুযায়ী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ করে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’

এদিকে কয়লা উধাওয়ের ঘটনায় খনির শীর্ষ চার কর্মকর্তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। ঘটনা তদন্তে পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

খনির মাইনিং বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত জিএম এটিএম নুরুজ্জামান চৌধুরী ও ডিজিএম মো. খাদেমুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত এবং এমডি প্রকৌশলী মো. হাবিব উদ্দিন আহমেদ ও সচিব (জিএম প্রশাসন) আবুল কাশেম প্রধানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কয়লা সরবরাহ না হওয়ায় বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন গতকাল রবিবার (২২ জুলাই) রাতে বন্ধ হয়ে গেছে।

৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ওই কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ থাকায় রংপুর বিভাগের ৮ জেলা বিদুৎ সঙ্কেটে পড়ায় বিকল্প পথ খুঁজছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here