জয়ের আভাস তৃতীয় দিনেই পাওয়া যায়। মাত্র পাঁচ উইকেট হলেই টেস্ট সিরিজ শ্রীলঙ্কার। বিপরীতে দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ছিল রানের পাহাড়। দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনের সকাল থেকেই লঙ্কানরে অপেক্ষার পালা। আফ্রিকান ব্যাটসম্যান ডি ব্রুইন ও বাভুমা সেটি আরো দীর্ঘায়িত করেন। অবশেষে তারাও হার মানেন। পরে কোনো ব্যাটসম্যান প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। ফলে দ্বিতীয় সেশনের অর্ধেক সময়ের মধ্যেই অল আউট হয়ে যায় সফরকারীরা। তাতে ১৯৯ রানের জয় তুলে নেয়ার সঙ্গে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা।

তৃতীয় দিনের ১৩৯ রান নিয়ে সোমবার খেলা শুরু করে ক্ষিণ আফ্রিকা। হাতে ছিল পাঁচ উইকেট। আগের দিনের ৪৫ রান নিয়ে ডি ব্রুইন ও ১৪ রান নিয়ে মাঠে নামেন বাভুমা। এনি শুরু থেকেই তার ধীর স্থিরে খেলতে াকেন। ডি ব্রুইন সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যান। আর বাভুমা হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। অবশেষে রঙ্গনা হেরা বাভুমাকে সাজঘরে ফেরান। উইকেটরক্ষক ডিকওয়েলার তালুবন্দী হওয়ার আগে ৬৩ রান করেন তিনি। ভেঙে যায় তাদের ১২৩ রানের জুটি। তবে এশিয়ার মাটিতে চতুর্থ ইনিংসে প্রোটিয়াদের এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি।

দলীয় ২৩৬ রানে বাভুমা সাজঘরে ফেরেন। এরপর বড় কোনো জুটি গড়তে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। লাঞ্চের ঠিক আগ মুহুর্তে ডি কক বিায় নেন। লাঞ্চের পর রাবাদার সঙ্গে ৩৪ রানের জুটি গড়েন ডি ব্রুইন। তাতে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরিও করেন। ৮৫তম ওভারে রঙ্গনা হেরাথের প্রথম বলে চার হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি করেন। একই ওভারের পঞ্চম বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। তার ১০১ রানের ইনিংসটি সাজানো ১২ টি চারে। ১৮ রান করা রাবাদা আউট হওয়ার পর ২৯০ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ফলে ১৯৯ রানের জয় পায় শ্রীলঙ্কা।

দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৩৮ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে ১২৪ রানে অল আউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর ২৭৫ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে সুরঙ্গা লাকমলরা। আফ্রিকান দলটিকে টার্গেট য়ে ৪৯০ রানের। তাদেরকে ২৯০ রানেই থামিয়ে দেয় স্বাগতিকরা। শেষ ইনিংসে ডুপ্লেসিসদের থামাতে বল হাতে দারুণ অবদান রাখেন রঙ্গনা হেরাথ। ছয়টি উইকেট নেন তিনি। দুটি করে উইকেট পান লিরুয়ান পেরেরা ও আকিলা ধনঞ্জয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here