ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে দ্বিতীয় ম্যাচে গতকাল টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাও ব্যাট হাতে নেমেছিলেন। কিন্তু যার কাঁধে ছিল গুরুদায়িত্ব, সেই মোসাদ্দেক হোসেন ম্যাচ জেতানো দূরে থাক, শেষ ৫ বলে যখন জয়ের জন্য ৮ রান প্রয়োজন তখন পরপর দুই বলে কোনো রানই নিতে পারলেন না।

সেখান থেকে ম্যাচের শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৫ রান। স্ট্রাইকে ছিলেন মাশরাফি। তিনি ১ রানের বেশি নিতে পারেননি। তাতে করে বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ৩ রানের ব্যবধানে।

গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে মাশরাফি তাই হতাশ। পাশাপাশি ক্ষোভটাও আটকে রাখতে পারেননি। তিনি বলেছেন, ‘এরকম হার অবশ্যই হতাশ। ১৩ বলে ১৪ রান দরকার, হাতে আছে ৬ উইকেট। এমন অবস্থায় ম্যাচ হারা খুবই হতাশার। এবারই প্রথম নয়। এর আগেও কয়েকবার এমন হয়েছে। এটা অবশ্যই হতাশার। আমরা বারবার ভুল থেকেও শিখছি না। আমাদের উচিত ছিল সহজেই খেলাটা শেষ করা। কিন্তু আমরা পারছি না।’

দলের সামর্থ্যে কী তাহলে ঘাটতি আছে? মাশরাফির ভাবনা, সমস্যাটা টেকনিক্যাল না হয়ে মানসিকও হতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন, শেষ বল পর্যন্ত জয়ের পথে ছিল বাংলাদেশ। হারের কারণ হিসেবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের রানআউটের কথাও উল্লেখ করতে ভুলছেন না তিনি।

মাশরাফির ভাষায়, ‘এটা টেকনিক্যাল সমস্যা নাকি মানসিক, তা বলা কঠিন। ১২ বলে যদি ২০ রান লাগতো, তাহলে একটা কথা ছিল। ১৩ বলে ১৪ রান লাগবে, তখন টেকনিক্যাল বা মানসিক সমস্যাকে আলাদা করে বলা কঠিন। এই পরিস্থিতিতে আমরা একই ভুল বারবার করছি। সিঙ্গেলস খেলে গেলেও ফল চলে আসতো। খেলাটা শেষ বল পর্যন্ত আমাদেরই ছিল। কিন্তু রিয়াদ যদি রানআউট না হতো খেলাটা আগেই শেষ হয়ে যেতো। তারপর সাব্বিরের আউটটার কারণেও আমাদের মূল্য দিতে হয়েছে।’

২০০৯ সালের পর বিদেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের দারুণ সুযোগ সামনে ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেছে পুরো দল। যদিও সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সিরিজের শেষ ম্যাচেই এখন চোখ রাখতে হচ্ছে মাশরাফিদের।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here