অবশেষে ছয় ঘণ্টা পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সক্ষম হলেন বিমানবন্দর সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্যে শিক্ষার্থীদের রাজি করাতে। আজ সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া সেই অবরোধ বিকাল সোয়া ৪টার দিকে তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা। এরপর, প্রধান সেই সড়কটিতে যান চলাচল শুরু হয়।

সড়ক দুর্ঘটনায় গতকাল (২৯ জুলাই) দুজন সহপাঠীর করুণ মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ হয়ে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীরা সকালে রাজধানীর ব্যস্ততম বিমানবন্দর সড়ক আটকে মানববন্ধন করে। সেসময় সে এলাকায় গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

অবরোধ চলাকালে তেজগাঁও সরকারি কলেজ, বিএএফ শাহীন কলেজ, ভাষানটেক সরকারি কলেজ, কুর্মিটোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রমিজ উদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেয়।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা দুপুর দেড়টার দিকে নিকটস্থ ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন দুই ঘণ্টার জন্যে অবরোধ করে রাখে।

গতকাল বিমানবন্দর সড়কে গাড়ির জন্যে অপেক্ষা করতে থাকা মিম, রাজীব ও অন্যান্যদের বেপরোয়া চালক বাসচাপা দিলে ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয়। এতে আহত হন অন্তত নয়জন।

এ খবরে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের সামনে যেই বাস পেয়েছে সেটিই ভেঙ্গেছে বলে ঘটনাস্থল থেকে জানান আমাদের সংবাদদাতা। আজও প্রায় সারাদিন বাস ভাঙচুরের খবর আসে।

গতকাল এই দুর্ঘটনাকে শ্রমিকনেতা ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান হাল্কাভাবে নিলেও বিক্ষোভকারীদের চাপে আজ দুর্ঘটনা সৃষ্টিকারী সেই বাস দুটির চালক ও হেলপারদের আটকের খবর জানানো হয়েছে র‌্যাব-১ এর পক্ষ থেকে।

এদিকে, দুর্ঘটনা সৃষ্টিকারী জাবালে নূর পরিবহন (ঢাকা মেট্রো ব-১১-৯২৯৭) বাসটির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও, বাসটির মালিককে গাড়ির কাগজপত্রসহ বিআরটিসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here