বড় ধরনের কোনো সহিংসতা ছাড়াই অনুষ্ঠিত তিন সিটির নির্বাচনে দুটিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। রাজশাহী ও বরিশালে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা জয়ী হলেও সিলেটে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে। এখানে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী। দু’টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হওয়ায় সিলেট সিটি নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এখনই ঘোষণা করা হচ্ছে না।

নির্বাচনে কেন্দ্র দখল, প্রতিপক্ষের এজেন্ট বের করে দিয়ে ব্যালটে সিল মারার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাজশাহীতে ১৩৮টি কেন্দ্রের সবকটির বেসরকারি ফলে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এক লাখ ৬৬ হাজার ৩৯৪ ভোট পেয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৯২ ভোট।

বরিশালের ১২৩ ভোট কেন্দ্রের ১০৭টির বেসরকারি ফলে আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৮০৩ ভোট। বিএনপির মজিবর রহমান সারোয়ার পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪১ ভোট। ৯৯ শতাংশ ভোট পড়ায় বরিশালের ১৬টি কেন্দ্রের ফল স্থগিত ও বাতিল করা হয়েছে। তবে এসব কেন্দ্রে যত ভোট রয়েছে তার চেয়েও বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে সাদিক আবদুল্লাহ। তাই বরিশালেও দলটির জয় নিশ্চিত।

সিলেটে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ৪ হাজার ৬২৬ ভোটে এগিয়ে আছেন। ১৩৪ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩২টির বেসরকারি ফলে আরিফুল পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট।

সিলেটে দুটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত দুটি কেন্দ্রে ভোটসংখ্যা ৪ হাজার ৭৮৭, যা প্রধান দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধানের চেয়ে বেশি। তাই এখনই কোনো প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা যাচ্ছে না। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থগিত দুই কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের পর সিলেট সিটি নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

রাজশাহীতে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এ ছাড়া ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১৬০ জন ও ১০টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে আরও ৫২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

সিলেটে মেয়র পদে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এ ছাড়া ২৭টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১২৬ জন ও নয়টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে আরও ৬২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

আর বরিশালে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ছয়জন। এ ছাড়া ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৯৩ জন ও ১০টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে আরও ৩৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

১৩ জুন তিন সিটির তফসিল ঘোষণা করা হয়। ১০ জুলাই প্রচার শুরু করেন প্রার্থীরা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here