প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থীদের বাস চাপা দেয়া ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এ ঘটনায় জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সকালে কলেজের সামনে বিমানবন্দর সড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে তৃতীয়পক্ষ অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করেছে।

এসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভাল কাজে ব্যবহার করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে গুজবে কান না দিতে জনগণের প্রতিও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে

শেখ হাসিনা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে দেশের সব স্কুল কলেজের সামনে জেব্রা ক্রসিং ও ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘যত্রতত্র যানবাহন থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না, লাইন ধরে বাস চালাতে হবে, ওভারটেক করলে ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সড়ক আইন এরই মধ্যে আমরা মন্ত্রীসভায় অনুমোদন দিয়েছি। এখন এই আইনটি সংসদে গিয়ে পাস হবে। সাথে সাথে আমরা সড়ক নিরাপত্তা করার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে ওই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা রাস্তার নেমে এসেছে, প্রতিবাদ করেছে। আমি আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ধৈর্য্য ধরতে বলেছি। শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হোক আমি সেটা চাইনি।

‘‘বেআইনি ভাবে রাস্তা পাড় হওয়া গ্রহনযোগ্য নয়। তাই সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা পারাপার করার সময় দাঁড়িয়ে ডানে বায়ে দেখে রাস্তা পার হতে। রাস্তা পারাপারের সুনির্দিষ্ট যে জায়গা আছে- ফুটওভার পাস, আন্ডারপাস, জেব্রা ক্রসিং এগুলো দেখে রাস্তা পার হতে হবে’’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ফিটনেস বিহীন গাড়ি এবং লাইসেন্সবিহীন গাড়ি সড়কে চলতে পারবে না। এর পাশাপাশি আন্ডারপাস গুলোতে পর্যাপ্ত লাইটের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্কুল শুরুর সময় এবং ছুটির সময় অবশ্যই একজন ট্রাফিক বিশেষ প্লেকার্ড এবং কার্ড নিয়ে নিয়োজিত থাকতে হবে।

এসময় সড়কে লেন ও নিয়ম মেনে চলতে চালকদের হুঁশিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। ২৯ শে জুলাই জাবালে নূর পরিবহনের বাস চাপায় নিহত হন রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here