পিছিয়ে আছে দল। কিন্তু সময়মত জ্বলে উঠলেন নেইমার ও কাইলিয়ান এমবাপে। তাতে স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেইন(পিএসজি)। গুইনগ্যাম্পের মাঠ থেকে নেইমার ও এমবাপের জোড়া গোলে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরেছে পিএসজি।

কিলিয়ান এমবাপ্পেকে মনে আছে? মনে না থেকেই পারেনা। রাশিয়ার বিশ্বকাপ মঞ্চে বিদ্যুত গতির সেই ফরাসি তরুণের ঝলক দেখা যাচ্ছে ক্লাব জার্সিতেও। দল পিএসজিকে বিপদ থেকে উদ্ধারে দ্যুতি ছড়ালেন এই ফ্রেঞ্চ তারকা।

বুফন নৈপুণ্যে একবার ব্যর্থ হলেও, নিজেদের মাঠে ম্যাচের মাত্র ২০ মিনিটে পিএসজিকে হতাশ করে লিড নেয় গুইনগ্যাম্প। প্রথমার্ধে রোক্সের এই গোলটা শোধ করতে পারেনি পিএসজি।

তবে, ৫৩ মিনিটে সহায় হয় ভাগ্য। পেনাল্টি পায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। সুযোগ পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হননি নেইমারও। সমতায় ফেরে ম্যাচ। দ্বিতীয়ার্ধে বদলী হিসেবে নামা এমবাপ্পে জাদু তখনো বাকি ছিলো। কোচ থমাস টাচেলের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন এমবাপ্পে। ৮২ মিনিটে ডি মারিয়ার অ্যাসিস্টে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। তবে, এখানেই থামেননি। ৯০ মিনিটে আরো একটি গোল করেছেন ফ্রেঞ্চ তারকা।

আগস্ট মাস আর ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম টটেনহ্যামের জন্য দুর্ভাগ্যের নাম। লিগ মৌসুম শুরুর প্রথম মাসে ঘরের মাঠে বরাবরই নড়বড়ে স্পারদের পারফরম্যান্স। এই ভেন্যুতে সবশেষ সফরের সুখস্মৃতি থেকে প্রতিপক্ষ ফুলহ্যামও ছিলো উজ্জীবিত।

কিন্তু, পচেত্তিনো বাহিনী ছিলো দৃঢ়প্রত্যয়ী। অফসাইড আর গোলপোস্টের বাধায় বঞ্চিত হলেও, ডেডলক ভাঙেন লুকাস মৌরাই। ৪৩ মিনিটে এই ব্রাজিলিয়ানের প্রথম প্রিমিয়ার লিগ গোলে লিড নেয় টটেনহ্যাম। যদিও প্রথমার্ধের এই সুখ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি স্বাগতিকদের। ৫২ মিনিটে মিত্রোভিচের গোলে সমতায় ফেরে ফুলহ্যাম।

তবে, বিশ্বকাপের স্মৃতি এখনো আঁকড়ে ধরে আছেন ট্রিপিয়ার। নাহলে, রাশিয়ায় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে করা দুর্দান্ত গোলের অনুরূপ গোল করেন কিভাবে! ৭৪ মিনিটে তার দুর্দান্ত ফ্রি কিকে আবারো লিড নেয় স্পাররা।

গোলমেশিন হ্যারি কেইনই বা বসে থাকবেন কেনো! ৭৭ মিনিটে গোল করে লিগে টটেনহ্যামের টানা ২য় জয় নিশ্চিত করেন এই ইংলিশ তারকা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here