আবারো স্বপ্নভঙ্গ। সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনালে উঠার লড়াইয়ে নেপালের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকেই বিদায় নিতে হল স্বাগতিক বাংলাদেশকে।

অথচ দারুণ ফুটবল খেলছিল লাল-সবুজরা। ছোটছোট পাসে আশাজাগানিয়া খেলছিল মামুনুলরা। বল পজিশনেও এগিয়ে ছিল। প্রথমার্ধে বল পজিশন বাংলাদেশের ছিল সাড়ে ৫৬ শতাংশ, নেপালের সাড়ে ৪৩। অথচ হঠাৎ নেপাল গোল পেয়ে গেল মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন জামাল ভুইয়ারা।

ঘরের মাঠে শুরুতে আক্রমণাত্বক থাকলেও প্রথমার্ধে নেপালের জালের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। উল্টো ম্যাচের ৩৩ মিনিটে সুনীল বালকে ফাউল করে বসেন স্বাগতিক দলের ওয়ালি ফয়সাল। সেই সুযোগে ফ্রি কিক থেকে সফরকারীদের এগিয়ে দেন বিমল ঘারতি মাগার। এজন্য দায়ী লাল-সবুজদের গোলরক্ষক সোহেল। কেননা প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের নেওয়া কিক ফিস্ট করবেন নাকি ধরে ফেলবেন এমন দোটানার মধ্যে বলটি ঠিকমতো ধরতে পারেননি তিনি। যে কারণে বল আশ্রয় নেয় তার নিরাপদ জায়গায়। সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচ ও টুর্নামেন্ট থেকে জেমি ডের শিষ্যদের বিদায়ের ঘন্টাও বাঁজতে থাকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। কিন্তু এ অর্ধেও প্রতিপক্ষের জালে দেখা পায়নি বাংলাদেশ। উল্টো নির্ধারিত সময়ের একবারে শেষ মিনিটে গোল হজম করে বসে লাল সবুজরা। ৯০তম মিনিটে সতীর্থের বল ধরে নবযুগ শ্রেষ্ঠা সহজেই স্বাগতিকদের জালে বল জড়িয়ে আনন্দে মাতেন। এরফলে স্বপ্নভঙের বেদনায় পুড়ে দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ খ্যাত এ টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা।

এরআগে সাফের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে সেমিফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। শনিবার নেপালের বিপক্ষে স্বাগতিকরা জিতলে কিংবা ড্র করলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করতে পারত। কিন্তু হলো না তার কিছুই। উল্টো স্বপ্নভঙের বেদায় পুড়তে হল জেমি ডের শিষ্যদের।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here