বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা  নিয়ে মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্য স্ববিরোধী ও সরকারের চিন্তারই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে  গঠিত সরকারী মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ একদেশদর্শী ও সার্বজনীন চিকিৎসানীতির পরিপন্থী। রোগীর পছন্দ অনুযায়ী চিকিৎসা না দিয়ে তাকে জোর করে নিজেদের পছন্দের চিকিৎসকদের দিয়ে দেশনেত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো চচরম প্রতিহিংসাপরায়ণ জেদেরই বহি:প্রকাশ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে চরম স্বাস্থ্যঝুকিতে নিয়ে যাওয়ার জন্যই সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী মেডিকেল বোর্ড ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিবেদন দিয়েছে, সেজন্যই খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদেরকে বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

অবিলম্বে মেডিকেল বোর্ডে খালেদা জিয়া ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্তভুক্ত করে বেসরকাী কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্ত্তি করে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান রিজভী।

সাম্পতিকালের বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নির্বিচারে হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার, দমণ-পীড়নে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার হরণের ছায়া পড়তে শুরু করেছে। একটা নির্জন বিরানভূমিতে সরকার একতরফা নির্বাচনের আয়োজন করছে। কিন্তু এই ষোল কোটির দেশের মানুষের আত্মশক্তিকে ভুলে গেছে সরকার। স্বৈরাচারকে বেশিদিন সহ্য করার ইতিহাস নেই এই দেশের মানুষের।

এই দেশের পলিমাটির ধুলোয় জনগণের দ্রেহ ভাসছে। মামলা খেয়ে, গ্রেপ্তার হয়ে কারান্তরীণ হওয়ার পরও বিএনপি ঐক্যবদ্ধ-এটাই আমাদের ব্যতিক্রমী শক্তি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতেই হবে, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনের জাতীয় নির্বাচন দিতেই হবে। আর সেই নির্বাচনে বিএনপি’র নেতৃত্ব দেবেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। স্বৈরাচারের লৌহকপাট আর বেশিদিন বন্ধ রাখা যাবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তিই হচ্ছে গণতন্ত্রের শক্তি এমনটাও উল্লেখ করেন রিজভী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক, কর্ণেল (অব) আবদুল লতিফ, সহ দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মনির হোসেন প্রমুখ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here