প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি তুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে সরকার গঠিত কোটা সংস্কার কমিটি। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়েছে কমিটি।

আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা পদ্ধতি বহাল আছে। এ পদ্ধতির সংস্কারের দাবি দীর্ঘদিনের। সর্বশেষ গত মার্চ-এপ্রিলে কোটার সংস্কার দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলে শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীরা। টানা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এপ্রিলে সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন ‘কোটাই থাকবে না’।

দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলনকক্ষে কমিটির আহ্বায়ক সচিব শফিউল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা সুপারিশ করেছি। এখন প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে সেটা মন্ত্রিসভায় উত্থাপিত হবে। এরপর মন্ত্রিসভা অনুমোদন করলে কার্যকর হবে।’ মুক্তিযোদ্ধা কোটাও না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ৩ জুলাই সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here