লা লিগা মৌসুম শুরু করেছেন জোড়া গোল দিয়ে। ইউরোপিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চের শুরুটা করলেন তিনি আরও বড় আকারে। চ্যাম্পিয়নস লিগের এবারের মৌসুমে বার্সেলোনার উদ্বোধনী দিনটা হয়ে থাকলো তাই লিওনেল মেসিময়। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের হ্যাটট্রিকে পিএসভি আইন্দহোফেনকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে কাতালানরা।

নতুন মৌসেুমে যেন আরও ভয়ঙ্কর মেসি। বাঁ পায়ের জাদুতে মুগ্ধতা ছড়ালেন ন্যু ক্যাম্পে উপস্থিত হওয়া দর্শকদের মনে। প্রথমার্ধে এক গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুইবার বল জালে জড়িয়ে পূরণ করেন চলতি মৌসুমের প্রথম হ্যাটট্রিক। সফরকারী পিএসভি খেলোয়াড়দের তার জাদুকরী পারফরম্যান্স দেখা ছাড়া কিছু করার ছিল না।

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ করে বার্সেলোনা। ২১তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার ভাল সুযোগও পেয়েছিল দলটি। কিন্তু মেসির দারুণ পাস পেয়ে দুরূহ কোণ থেকে পাশের জালে মারেন লুইস সুয়ারেজ। তবে ৩১তম মিনিটে ঠিকই কাতালানদের এগিয়ে দেন মেসি। প্রায় ২২গজ দূর থেকে বাঁকানো ফ্রি-কিকে পোস্ট ঘেঁষে জাল খুঁজে নেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে উসমান ডেম্বেলের নৈপুণ্যে লিড বাড়ায় বার্সেলোনা। ৭৪তম মিনিটে কৌতিনহোর পাস পেয়ে দুই মিডফিল্ডারের তিনজনকে কাটিয়ে বুলেট গতির শটে লক্ষ্যভেদ করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। এর তিন মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয গোল করেন মেসি। ইভান রাকিতিচের উঁচু করে বাড়ানো বল ডি-বক্সে পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়ে দেন এ আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। তাতে বার্সেলোনার জয়ও প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

৮১তম মিনিটে অবশ্য বার্সেলোনা হয়ে যায় ১০ জনের দল। এর পেছনের কারণ, লোসানোকে ফাউল করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সামুয়েল উমতিতি। কিন্তু তাতেও কাতালানদের খেলার ধরনে একটুও আসেনি পরিবর্তন। আর তাই ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে হ্যাটট্রিকও পূরণ করেন মেসি। সুয়ারেজের বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় আর্জেন্টাইন তারকার এটি ১০৩তম গোল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here