মিয়ানামারে রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে দেশটির শীর্ষস্থানীয় সেনা কর্মকর্তাদের বিচারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ। আজ (মঙ্গলবার) জাতিসংঘের তদন্তকারীরা এক প্রতিবেদনে বলেছে, যে পাঁচটি নিষিদ্ধ কাজকে গণহত্যা হিসেবে গণ্য করা হয় তার চারটিই করেছে মিয়ানমারের সেনাাবাহিনী।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাজনীতি থেকে সেনাবাহিনীকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শাসন ব্যবস্থায় তাদের বাড়তি প্রভাবের ইতি ঘটানো উচিৎ। এ বিষয়ে দেশটির বেসামরিক সরকারের পক্ষ থেকে আরও বেশি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের কথিত বেসামরিক সরকারের প্রধান অং সান সুচি এরইমধ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে হত্যা-নির্যাতনের বিষয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

গত মাসে জাতিসংঘের তদন্তরকারীরা তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানায়, রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞে সেনাবাহিনী জড়িত রয়েছে। তারা বলেছিলেন, রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যায় ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকায় মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাবাহিনীর সঙ্গে বেসামরিক কর্তৃপক্ষও এই নিধনযজ্ঞে ইন্ধন জুগিয়েছে।

গতমাসের পর আজ আবারও একই আহ্বান জানালো জাতিসংঘ। অপরাধী সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি এবং মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কাছে অস্ত্র বিক্রি বদ্ধেরও দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here