দুধের সাধ ঘোলে মেটালো টিম ইন্ডিয়া। চ্যম্পিয়নস লিগের হারের শোধটা এশিয়া কাপে নিলো ভালোভাবেই। পাকিস্তানের দেয়া ১৬৩ রানের ছোট লক্ষ্যে পৌঁছে গেল ৮ উইকেট হাতে রেখেই। গত ম্যাচে হংকংয়ের কাছে কোণঠাসা হয়ে পড়া দলটিই আরব আমিরাতের কন্ডিশনে সবচেয়ে ফেবারিট দলকে নাকানি-চুবানি খাইয়ে ছাড়ল।

সিঙ্গলস নিয়ে স্কোরবোর্ড সচল রাখা ছাড়াও মাঝে মধ্যে চার-ছয়ও মেরেছেন রোহিত-শিখর। দলীয় ৮৬ রানে অর্ধশতরান করে শাদাব খানের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান রোহিত। এরপর নিজের ব্যক্তিগত ৪৬ রানে ফিরে যান শিখরও। তবে অম্বাতি রায়ডু এবং দীনেশ কার্তিকের ব্যাটে ভর করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রবি শাস্ত্রীর শিষ্যরা।

পাকিস্তানের পক্ষে ফাহিম আশরাফ এবং শাদাব খান একটি করে উইকেট নেন।

এরআগে এশিয়া কাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ভারতের বোলারদের সামনে মাত্র ১৬২ রানের গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। দলের পক্ষে বাবর আজম সর্বোচ্চ ৪৭ ও শোয়েব মালিক ৪৩ রান করেছেন।

গ্রুপ পর্বের প্রথম দেখায় টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় পাকিস্তান। দলীয় মাত্র ৩ রানে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ইমাম-উল-হক ও ফখর জামানকে হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিরা।

তবে বাবর আজম ও শোয়েব মালিকের ঠান্ডা মাথায় ব্যাটিয়ে সেই চাপ কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠছিল পাকিস্তান। এই দুই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান ৮২ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে যখন বড় সংগ্রহের পথ দেখাচ্ছিল ঠিক তখনই বাধ সাধেন ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব।

২২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে যাদবের শিকার হন ব্যক্তিগত ৬২ বলে ৪৭ রান করা ইনফর্ম ব্যাটসম্যান বাবর আজম। দলের স্কোর বোর্ডের মাত্র ১১ রান যোগ হতেই ব্যক্তিগত ১২ বলে ৬ রান করে কেদার যাদবের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন পাক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ।

দলীয় ১০০ রানে সেট ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিককে রান আউটের ফাঁদে ফেলেন। এর পর ধারাবাহিক উইকেট পতনে নাস্তানাবুদ হয়ে যায় পাকিরা। মাঝে ফাহিম আশরাফ ২১ ও মোহাম্মদ আমির ১৮ কিছুটা প্রতিরোধ গড়লে তা যথেষ্ট ছিল না।

শেষ পর্যন্ত ৪৩.১ ওভারে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।

ভারতের বোলারদের মধ্যে ১৫ রানে ভুবনেশ্বর কুমার তিনটি ও ২৩ রান দিয়ে সমান তিন উইকেট নিয়েছেন অলরাউন্ডার কেদার যাদব। এছাড়া ভুমরা দুটি ও কুলদীপ যাদব একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here