এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বের তৃতীয় ম্যাচে আজ শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। বড় জয় তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে গোলাম রাব্বানী ছোটনের শিষ্যরা মাঠে নামলেও ৭ গোলের বেশি করতে পারেনি তারা। আমিরাতের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ৫ গোল করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে মুহুর্মূহ আক্রমণ শানিয়েও ২টির বেশ গোল পায়নি।

মেয়েদের টানা তৃতীয় জয়ের সুবাদে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯ পয়েন্ট। দিনের প্রথম ম্যাচে লেবাননকে ৭-০ গোলেই হারানো ভিয়েতনামের পয়েন্টও ৯। বিস্ময়করভাবে, বাংলাদেশ আর ভিয়েতনামের গোল গড়ও সমান, +২৫! আগামী রবিবার দুই দলের লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে ‘এফ’ গ্রুপের শ্রেষ্ঠত্ব।

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে দুটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। নিয়মিত অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা ও শামসুন্নাহার জুনিয়রের জায়গায় নীলুফার ইয়াসমীন নীলা ও রোজিনা আক্তারকে সুযোগ দিয়েছেন কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।

ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার পর জয় নিয়ে ভাবতে হয়নি বাংলাদেশকে। তহুরা খাতুনকে ফাউলের সুবাদে পাওয়া পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করেছেন শামসুন্নাহার সিনিয়র।

২৫ মিনিটে তহুরার জোরালো শট ক্রস বারে বাধা পাওয়ার পর ৯ মিনিটের ঝড়ে আনুচিংয়ের হ্যাটট্রিকের জন্ম। ২৭ মিনিটে এই ম্যাচের অধিনায়ক আঁখি খাতুনের ক্রস থেকে আনুচিংয়ের হেড পোস্টে লেগে জড়িয়ে যায় জালে। ৩৪ মিনিটে আনাই মোগিনীর ক্রস থেকে আনুচিংয়ের আরেকটি দুর্দান্ত হেডে স্কোরলাইন হয় ৩-০। দুই মিনিট পর হ্যাটট্রিক গোলটি এক কথায় অনবদ্য। পরিকল্পিত আক্রমণ থেকে আনুচিংয়ের দর্শনীয় ব্যাক ভলি চলে যায় আমিরাতের জালে।

বিরতির ঠিক আগ মুহুর্তে ঘটে আত্মঘাতী গোল। মনিকা চাকমার কর্নার হেড করে বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে দিয়েছেন আলিয়া হুমায়েদ।

বিরতির পর দুটির বেশি গোল পায়নি বাংলাদেশ। ৭১ মিনিটে জোরালো শটে নিজের চতুর্থ গোল করেছেন আনুচিং মোগিনী। আর ইনজুরি সময়ে ম্যাচের শেষ গোলটি বদলি খেলোয়াড় ইলামনির।

বাংলাদেশ দল: রুপনা চাকমা, আনাই মোগিনী, শামসুন্নাহার সিনিয়র (সুলতানা), নাজমা, আঁখি খাতুন, নীলুফার ইয়াসমীন নীলা, মনিকা, আনুচিং মোগিনী, তহুরা (ইলামনি), সাজেদা ( সাজেদা আক্তার রিপা) ও রোজিনা আক্তার।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here