বর্ষা-বাদলার এই আবহাওয়ায় খিচুড়ির থেকে ভাল পদ আর বোধহয় হয় না। আর সঙ্গে যদি থাকে চিংড়ি, তাহলে তো আর কথাই নেই! তাহলে আজ অন্য সব পদ দূরে সরিয়ে রেখে পাত ভরে উঠুক লোভনীয় চিংড়ি খিঁচুড়িতে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বানাবেন চিংড়ি খিঁচুড়ি-

চিংড়ি খিচুড়ি বানাতে লাগবে

১. ছোট চিংড়ি- ২০০ গ্রাম

২. বাসমতি চাল- ২ কাপ

৩. মুগ ডাল- ১ কাপ

৪. মুসুর ডাল- ১ কাপ

৫. টোম্যাটো- ১টি

৬. পেঁয়াজ- ২টি

৭. আদা বাটা- ২ চামচ

৮. কড়াইশুটি- ১ কাপ

৯. কাঁচা মরিচ- ৪/৫টি (স্বাদ মতো)

১০. শুকনা মরিচ- ২/৩টি

১১. শুকনা মরিচ গুঁড়া- আধা টেবিল চামচ

১২. হলুদ গুঁড়া- আধা চা চামচ

১৩. এলাচ- ৪/৬টি

১৪. দারচিনি- ১টি টুকরা (মাঝারি মাপের)

১৫. তেজপাতা- ২/৩টি

১৬. সরিয়ার তেল- পরিমাণ মতো

১৭. লবণ- স্বাদ মতো

১৮. চিনি- সামান্য।

চিংড়ি খিচুড়ি বানানোর পদ্ধতি

চাল, ডাল ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চিংড়ি মাছের খোসা ছাড়িয়ে ভাল করে ধুয়ে রাখুন। এবার কড়াইতে পাত্রে সরিয়ার তেল গরম করে তেজপাতা, দারচিনি, শকনা মরিচ আর এলাচ ফোড়ন দিন।

এবার অল্প আদা বাটা, পেঁয়াজ কুচি আর টোম্যাটোর টুকরা ও কড়াইশুঁটি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এক চিমটে হলুদ গুঁড়া, লবণ, শুকনা মরিচ গুঁড়া মেশান। অল্প চিনি দিন।

এবার কড়াইতে চিংড়িগুলো ছেড়ে দিয়ে হালকা কষতে থাকুন। তেল ছাড়তে শুরু করলে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল-ডাল দিয়ে দিন।

এক সঙ্গে সমস্ত উপকরণ নাড়তে থাকুন। ৪-৫ মিনিট পরে চার কাপের মতো গরম পানি ঢেলে পাত্রটি ঢেকে দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। খিচুড়ি যদি বেশি শুকনা লাগে, তবে সামান্য গরম পানি দিতে পারেন। আঁচ থেকে নামানোর পর ধনেপাতার কুচি ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে সুন্দর একটা গন্ধ বের হবে খিচুড়ি থেকে। তবে চাইলে না-ও দিতে পারেন।

ব্যস, এবার গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক চিংড়ি খিচুড়ি। সঙ্গে নিয়ে নিন পছন্দসই ভাজা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here